

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অযৌক্তিক জরিমানা আদায়সহ নানা অভিযোগের প্রতিবাদে ডাকা অনির্দিষ্টকালের জন্য পাম্প বন্ধ রাখার ঘোষণা থেকে সরে এসেছেন পাম্প মালিকরা। সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম-এর আশ্বাসের ভিত্তিতে তারা কর্মসূচি থেকে সরে দাাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
বুধবার (১ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টার দিকে তারা এই ঘোষণা দেন।
বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুবায়ের আহমেদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন আহমেদ এই ধর্মঘটের ডাক দিয়ে বলেছিলেন, পাম্পগুলোতে ট্যাগ কর্মকর্তা বসানো, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে ঘন ঘন হিসাব নেওয়া, পুলিশ নিয়োগ এবং ছয়টি পাম্পে বড় অংকের জরিমানা আদায়ের প্রতিবাদে আমরা তেল বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তাদের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতিতে সিলেট বিভাগের সিএনজি ও এলপিজিসহ কোনো পাম্পই মালিকদের পক্ষে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা জানান, সরকারের প্রতিনিধিরা চাইলে পাম্প চালাতে পারেন, এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। মূলত প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও জরিমানাকে ‘হয়রানি’ হিসেবেই দেখছেন মালিকরা।
সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন আহমেদ বলেন, পাম্পে ট্যাগ অফিসার বসানো, বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে অনবরত হিসাব নেওয়া, পাম্পে পুলিশ নিয়োগ, ছয়টি পাম্পে জরিমানা আদায় করায় তেল বিক্রি না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন পাম্প মালিকরা।
সিদ্ধান্ত মোতাবেক সিলেট বিভাগের সিএনজি, এলপিজিসহ সব পাম্প মালিকদের পক্ষে পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
জানা গেছে, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে সন্ধ্যা থেকে কয়েকজন মালিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য অপেক্ষা করলেও কোনো সুরাহা হয়নি। এরপরই রাতেই বৈঠক করে পেট্রল পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে এই কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
এদিকে রাতে তারা সিলেট নগরের চন্ডিপুল এলাকায় সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
পরে রাতে বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের অভিযোগগুলোর সুরাহার আশ্বাস দিলে রাত দুইটার দিকে তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
এই বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম গণমাধ্যমকে বলেন, আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে। উনাদের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা চলছে। সমস্যা যেখানে সেটা আমরা সমাধানের চেষ্টা করব।
মন্তব্য করুন
