

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রামেক হাসপাতালে শিশুদের জন্য মাত্র ১২টি আইসিইউ বেড আছে। এই আইসিইউতে একটি বেডের জন্য সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশুদের অপেক্ষায় থাকতে হয়। আইসিইউতে চিকিৎসাধীন কোনো শিশু মারা গেলে কিংবা কিছুটা সুস্থ হলে তাদের ডাক পড়ে। সিরিয়াল দিলে ৩০ থেকে ৫০ জনের পর শিশুদের আইসিইউতে নিতে ডাক আসে।
এই অবস্থায় এখন শিশুদের সাধারণ অসুখের পাশাপাশি ছোঁয়াচে রোগ হামের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এতে আইসিইউর চাহিদা আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
গত বৃহস্পতিবার হামে আক্রান্ত চার শিশুকে আইসিইউর জন্য সুপারিশ করেন ওয়ার্ডের দায়িত্বরত চিকিৎসক। এর মধ্যে শিশু ফারহানা ও হুমায়রা গত শুক্রবার সকাল হওয়ার আগেই মারা যায়। আর হিয়া শুক্রবার রাতে মারা যায়। এই চারজনের মধ্যে অবশিষ্ট শিশু জান্নাতুল মাওয়াকে গত শনিবার বিকেলে আইসিইউতে নেওয়া হয়। রোববার দুপুরে তাকে আইসিইউ থেকে সাধারণ ওয়ার্ডে দেওয়া হয়। এরপর তার আবার শ্বাসকষ্ট শুরু হলে ওয়ার্ডের চিকিৎসক তাকে আবারও আইসিইউতে নিতে পরামর্শ দেন। তখন আইসিইউতে গেলে তাদের সিরিয়াল পড়ে ৩৬।
এর আগে প্রথমবার সিরিয়াল পড়েছিল ২৯। তিন দিন অপেক্ষার পর মাওয়াকে আইসিইউতে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। এবার ৩৬ সিরিয়াল পড়লে তার বাবা-মা দিশেহারা হয়ে পড়েন। তবে তাদের আর অপেক্ষা করতে হয়নি।
রামেক হাসপাতালের আইসিইউ ইনচার্জ আবু হেনা মোস্তফা কামাল বলেন, যথেষ্ট উন্নতি হওয়ার পর জান্নাতুল মাওয়াকে সাধারণ ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছিল। যেকোনো রোগী যেকোনো সময় খারাপ হতেই পারে। আবার যদি খারাপ হয়, তাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আইসিইউতে নিয়ে আসা হয়। মাওয়ার ক্ষেত্রে তা-ই করা হয়েছে। তাকে আবার আইসিউতে নেওয়া হয়েছে।
মন্তব্য করুন