

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, সদ্য অনুষ্ঠিত গণভোটের জন্য জারি করা অধ্যাদেশটির কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাওয়ায় সেটিকে আর আইনে পরিণত করার প্রয়োজন নেই।
রোববার (২৯ মার্চ) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, গণভোট আয়োজনের উদ্দেশ্যে করা ওই অধ্যাদেশ ইতোমধ্যে তার লক্ষ্য পূরণ করেছে। ভবিষ্যতে এর আওতায় আর কোনো গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে এটিকে বিল আকারে এনে সংসদে পাস করার যৌক্তিকতা নেই।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী অধ্যাদেশগুলো সংসদে তোলা হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তবে যেসব অধ্যাদেশের প্রয়োজন ফুরিয়ে গেছে, সেগুলো আইনে রূপ দেওয়ার দরকার পড়ে না।
বিশেষ কমিটির বৈঠক নিয়ে তিনি জানান, মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু অপরিবর্তিত অবস্থায় পাস করার সুপারিশ করা হয়েছে, আবার কিছু সংশোধন করে বিল হিসেবে আনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সময়সীমার কারণে সবগুলো একসঙ্গে আনা সম্ভব না হলে বাকি বিষয়গুলো পরবর্তী অধিবেশনে তোলা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারি ও বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্য কিছু অধ্যাদেশ নিয়ে ভিন্নমত দিয়েছেন, যা কমিটির প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত থাকবে। সংসদে বিল উত্থাপনের সময় এসব বিষয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে।
৩০ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত না হলে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোর ভবিষ্যৎ কী—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উত্থাপন না হলে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। তবে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পরে আবার বিল আকারে আনা যাবে।
মানবাধিকার কমিশন ও পুলিশ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয় বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেবে। আগামী ২ এপ্রিল বিশেষ কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উপস্থাপন করা হবে বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য করুন
