

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং গুরুতর আহত সাতজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিখোঁজদের স্বজনরা ফেরিঘাট এলাকায় ভিড় করে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মধ্যে অপেক্ষা করছেন।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর বাসটি দৌলতদিয়া ৩ নম্বর পন্টুনে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। পরে বাসটি স্রোতে সরে গিয়ে পন্টুনের নিচে আটকে পড়ে বলে জানিয়েছেন ডুবুরি দলের সদস্যরা।
জানা গেছে, দুর্ঘটনার শিকার বাসটি পন্টুনের নিচে আটকে পড়েছে। বাসটি এমন অবস্থানে চলে যাওয়ায় দরজা-জানালা ভাঙা সম্ভব হচ্ছে না, যা উদ্ধারকাজকে আরও জটিল করে তুলেছে। এরই মধ্যে প্রবল ঝড়-বৃষ্টি শুরু হওয়ায় চলমান উদ্ধার অভিযান মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটিতে প্রায় ৪০ থেকে ৫৬ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের বেশিরভাগই ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার পর সাত-আটজন যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও বাকিদের অনেকেই এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
উদ্ধারকাজ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়, যা পুরো কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করে। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’সহ সংশ্লিষ্ট টিমগুলো কাজ চালাতে হিমশিম খাচ্ছে।
ফায়ার সার্ভিস জানায়, গোয়ালন্দ ও আরিচা স্টেশনের ডুবুরি ইউনিট ঘটনাস্থলে কাজ করছে। এছাড়া ঢাকা ও ফরিদপুর থেকে আরও বিশেষ ডুবুরি দল যোগ দিচ্ছে উদ্ধার তৎপরতায়। তবে বাসটি পন্টুনের নিচে আটকে থাকায় ভেতরে প্রবেশ করা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে নিখোঁজদের উদ্ধারে দেরি হচ্ছে।
মন্তব্য করুন