

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাজেক ভ্যালিতে রুম বুকিং না করে যাওয়ায় শত শত পর্যটক চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে রিসোর্ট-কটেজ পূর্ণ থাকায় অনেকেই বারান্দা, ক্লাবঘর, স্থানীয়দের বাড়ি, এমনকি রাস্তায় রাত কাটাচ্ছেন ।
এই পরিস্থিতি এড়াতে আগাম রুম বুকিং এবং খাগড়াছড়ি সদরে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঈদের টানা ছুটিতে পর্যটকদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠেছে পার্বত্য জেলা রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক পর্যটনকেন্দ্র। ফলে সাজেক ভ্যালি পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র পর্যটকদের চাপ বেড়েছে বহুগুণ।
খালি নেই কোনো রিসোর্ট কটেজের রুম। সাজেক ভ্যালির শতাধিক রিসোর্ট কটেজ শতভাগ বুকিং বলছে সাজেক রিসোর্ট-কটেজ মালিক সমিতির একাধিক ব্যক্তি।
সাজেক রিসোর্ট-কটেজ ওনার্স এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, সাজেক ভ্যালিতে প্রায় ১১১টি রিসোর্ট কটেজ রয়েছে। যা গত ২২ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত সব রিসোর্ট কটেজের রুম শতভাগ বুকিং রয়েছে। আজকেও মোটরসাইকেল, জীপ, মাইক্রোবাসে করে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পর্যটক সাজেক ভ্রমণ করেছে।
অবশ্য শুধু হোটেল-কটেজ নয়। পর্যটকদের জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে পরিবহনেরও। গাড়ির তেল না থাকায় অনেকেই সাজেক যেতে পারছেন না। তাই অনেকেই খাগড়াছড়ি থেকে ফিরে যাচ্ছেন ঘরে।
সাজেক রিসোর্ট ও কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেববর্মণ বলেন, ঈদের লম্বা ছুটিতে সাজেক পর্যটনে পর্যটকের চাপ রয়েছে।
আজকেও ৩ হাজারের অধিক পর্যটক ভ্রমণে এসেছে। আমাদের রিসোর্ট কটেজগুলো ২৮ তারিখ পর্যন্ত শতভাগ বুকিং রয়েছে। কেউ রুম না পেয়ে থাকলে তাদের জন্য সমিতির পক্ষ থেকে অন্য কোথাও থাকার ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
এদিকে খাগড়াছড়ি ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ পরিদর্শক নিশাত রায় বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ২৪ ঘণ্টা ট্যুরিস্ট পুলিশের টহল রয়েছে। ছুটিতে ভিড় বাড়ায় টহলও বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজনে জরুরি সেবা চালু রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন