

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফসহ জেলার প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হবে শুক্রবার (২০ মার্চ)।
এ উপলক্ষে সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে সকাল ৯টায় প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন দরবার শরীফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।
এছাড়া সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা মাঠে আরেকটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।
দরবার শরীফ সূত্রে জানা যায়, ঈদের জামাতকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে মুসল্লিদের আগমন ঘটবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী জানান, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে আসছেন। শুরুতে অংশগ্রহণকারী সংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় এই ধারা বিস্তৃত হয়েছে।
এদিকে মতলব উত্তর উপজেলার সাতকানিয়া মির্জাখীল দরবার শরীফেও ঈদের জামাতের প্রস্তুতি চলছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বর্তমান গদীনশীন পীর ইমামুল আরেফিন ড. মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ মাকসুদুর রহমান।
সাদ্রা দরবার শরীফের মুসল্লি ইয়াহিয়া চৌধুরী বলেন, আফগানিস্তান ও মালিতে চাঁদ দেখার খবর যাচাই-বাছাই করে সন্দেহজনক পাওয়ায় আমরা তা গ্রহণ করিনি। সন্দেহের ভিত্তিতে রোজা ভেঙে ঈদ করা যায় না। তাই ৩০টি রোজা পূর্ণ করে শুক্রবার জুমার দিনে ঈদ উদযাপন করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
চাঁদপুরের যেসব গ্রামে আগাম ঈদ উদযাপন হবে, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপুর ও বাসারা; ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা ও গোবিন্দপুর; এবং মতলব উপজেলার বাহেরচর পাঁচানী, আইঠাদি পাঁচানী, সাড়ে পাঁচানী, সাতানী লতরদী, আমিয়াপুর (আংশিক) ও উত্তর নেদামদী (আংশিক)সহ আরও বেশ কয়েকটি গ্রাম।
প্রসঙ্গত, ১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরীফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও ঈদ উদযাপনের প্রথা চালু করেন। তার অনুসারীরা দীর্ঘদিন ধরে এ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আসছেন।
মন্তব্য করুন