

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ বলেছেন, গত ১৫ বছরে তাদের দুঃশাসনের কারনে এই মুহুর্তে আ.লীগকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন করার কোন সুযোগ নেই। কারন এই দায়িত্ব সরকার বা প্রশাসন কেউই নিতে পারবে না। যেই কারনে এই মুহুর্তে আ.লীগকে বাদ দিয়েই নির্বাচন করতে হচ্ছে। এখন আ.লীগের ভোটাররা এই মুহুর্তে কাকে ভোট দিবে কোনদিকে যাবে, এই সীধান্ত তাদেরই।
বুধবার (৭ জানুয়ারী) রাতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের একটি হোটেলে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র দুনিয়াবী স্বার্থে আজকে ধর্মকে ব্যবহার করা হচ্ছে, যার মধ্য দিয়ে দেশে ফেতনা-অরাজকতা তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। যার ফলসূতিতে আজকে বিভিন্ন জায়গায় মব হচ্ছে। গত কয়েকদিন আগেই ঢাকায় মোবাইল নিয়ে একটি সীধান্ত নেয়ায় বিআরটিসি ভবনে হামলা, অগ্নিসংযোগ হয়েছে। দেশে এভাবে সবাই যদি আইন হাতে তুলে নেয়, তাহলে এভাবে দেশ চলতে পারে না। এভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা যাবে না।
চারবারের সাবেক এমপি হারুন বলেন, অবাধ, সুষ্ঠ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব আমরা যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি তাদের সকলের। রাষ্ট্র প্রশাসন যারা আয়োজন করছে তাদেরকে সহযোগিতা করা আমাদের দায়িত্ব। প্রশাসনের দায়িত্বে যারা রয়েছে, তাদের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা একান্ত আবশ্যক। আমি এর আগে ৫ বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। এরমধ্যে কয়েকবার তত্বাবধায়ক সরকার ও আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে অংশ নেয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। নির্বাচন কি কারনে প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তা আমরা সকলে জানি। সরকারের যদি স্বদিচ্ছা থাকে, সরকার যদি নির্বাচনে কোন অনিয়মের অংশীদার না হয়, তাহলে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব। সরকারের একটি বড় চ্যালেঞ্জ এমন নির্বাচন উপহার দেয়া।
তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সাথে আমার প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এর আগেও তাদেরকে হারিয়েছি। যদিও প্রতিদ্বন্দ্বীকে ছোটভাবে দেখতে চাই না। আশা করি, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। অতীতে আওয়ামী লীগ আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মূল প্রতিপক্ষ ছিল। কিন্তু নিজেদের অপকর্মের কারনে তারা এখন নেই।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা হারুন বলেন, এখন পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ আশেপাশের এলাকায় নির্বাচনী পরিবেশ ভালো রয়েছে। এই মুহুর্তে কোন সহিংসতা নেই। তবে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা বা বির্তকিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি রিটার্নিং কর্মকর্তাকেও ব্যক্তিগত বলেছি, আমিসহ যেকেউ আচরণবিধি ভঙ্গ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন। আমরা আশা করি, আগামী নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক, অংশগ্রহণমূলক এবং অবাধ-সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ হবে। এখানে নির্বাচনে কোন অনিয়ম হলে তা জনগণের কাছে চিহ্নিত হবে ও তারা নিন্দিত হবে।
মন্তব্য করুন
