

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজশাহী মহানগরীর পঞ্চবটি আহমপুরে পুকুর ভরাটের ঘটনা জানতে পেরে সেটি উদ্ধারে মাঠে নেমেছে প্রশাসন। কয়েকদিন ধরে পুকুরটি কৌশলে ধীরগতিতে ভরাট করা হচ্ছিল।
ইতোমধ্যে এর সিংহভাগ মাটি দিয়ে ঢেকে ফেলা হলেও মঙ্গলবার সকালে সেখানে অভিযান চালান প্রশাসনের কর্মকর্তারা। তবে, পুকুর ভরাটে জড়িতরা তখন সরে পড়েন।
বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদের নেতৃত্বে পুকুর উদ্ধার অভিযানে ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন ও বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন।
স্থানীয়রা জানান, পুকুরের মালিক প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন। তবে, পুকুর ভরাটের সাথে জড়িত রয়েছে মালিকপক্ষের প্রায় ৭ থেকে ৮ জন। তাদের মধ্যে অন্যতম, স্থানীয় আনার, আরিফ, চঞ্চল, সুমন, চন্দন ও তারাসহ আরো অনেকে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের মাধ্যমে রাজশাহী ঢাকা মহাসড়কের পাশে তাদের জমি বছরখানেক আগ থেকে ধীরে ধীরে ভরাট করা শুরু হয়। বিষয়টি বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার জানালে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্টদের একাধিকবার সতর্ক করেন। সর্তকতা ব্যাতিরেখে পুকুর ভরাট চলমান রাখায় এমন অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
অভিযানকালে বোয়ালিয়া থানার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন বলেন, ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তাই পুকুরটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে। এই খনন কাজে যে ব্যয় হবে, তা পুকুর ভরাটকারীদের কাছ থেকেই আদায় করা হবে। ভবিষ্যতে রাজশাহীতে আর কোনো পুকুর ভরাট করতে দেওয়া হবে না। খবর পেলেই কাজ বন্ধ করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হবে।’ পুকুর পুনঃখনন শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা দায়িত্বে থাকবেন বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক তাছমিনা খাতুন জানান, পরিবেশ সংরক্ষন আইনে পুকুর ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং ভরটকৃত পুকুর পুনরায় ফিরিয়ে আনাও আমাদের দায়িত্ব। আমরা অভিযোগ পাচ্ছিলাম যে পুকুরটা ভরাট করা হচ্ছে। পাশের একটি বিল্ডিং ভেঙ্গে তার ইট এবং খুয়া ভেঙ্গে পুকুর ভরাট কাজ চালাচ্চে। আমাদের বিভাগীয় কমিশনার স্যারের কাছেও এ বিষয়ে অভিযোগ রয়েছে এবং স্যারের নির্দেশে আমরা পুকুরটা আবারো খনন করছি যাতে তারা পুকুরটি আবারো ভরাট করতে না পারে।
মন্তব্য করুন
