

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনার পথ খুঁজছেন মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। কারণ, সংঘাত আরও বাড়লে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উল্টো বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে কেইন একা নন, ট্রাম্প প্রশাসনের আরও কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাও উদ্বিগ্ন। সূত্র জানিয়েছে, সিআইএ পরিচালক জন র্যাটক্লিফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কেইন যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা করেছেন।
এক সূত্রের ভাষায়, ইরান যুদ্ধ নিয়ে শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কেইনের এসব আলোচনা মূলত ‘সামরিক বাহিনীকে সুরক্ষিত রাখার’ চেষ্টা।
এদিকে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পর ট্রাম্প প্রশাসনের অনেক শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান শক্তিরও নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা রয়েছে। গত মাসের শেষ দিকে আইনপ্রণেতাদের এক শুনানিতে কেইন নিজেও বলেছিলেন, ‘বিমান শক্তির সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’
এ কারণে জুলাইয়ের শেষ দিকে ইরানে আরও বড় ধরনের হামলা চালানোর পরিকল্পনা নিয়েও কেইন ও প্রশাসনের অন্য কর্মকর্তারা সতর্ক ছিলেন। সম্ভাব্য পাল্টা প্রতিক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই ট্রাম্প প্রথমে ওই অভিযান অনুমোদনের দিকে এগিয়েছিলেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্ররা ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলা, বিশেষ করে জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার আশঙ্কা জানালে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প ওই পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন। তবে ভবিষ্যতে হামলার পরিকল্পনা পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধাস্ত্রের মজুতও কমে আসছে। বিষয়টি জেনারেল কেইন ছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলোর কর্মকর্তারা মার্কিন প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছেন। তাদের আশঙ্কা, উন্নত মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকলে ইরানের পাল্টা হামলা ঠেকানো কঠিন হতে পারে।
ট্রাম্প একাধিকবার ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দিয়েছেন। তবে সূত্রগুলোর মতে, এ ধরনের হামলা ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার সম্ভাবনা কম। বরং এর ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোয় ইরানের পাল্টা হামলার আশঙ্কা আরও বাড়তে পারে।
সূত্র : সিএনএন