

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসা পেতে কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও দেশটিতে থেকে যাওয়ার প্রবণতা কমাতে আবেদনকারীদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত জামানত নেওয়ার নীতি চূড়ান্ত করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
নতুন বিধান অনুযায়ী, প্রয়োজন মনে করলে কনস্যুলার কর্মকর্তা বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসা আবেদনকারীর কাছ থেকে ভিসা অনুমোদনের শর্ত হিসেবে বন্ড বা জামানত চাইতে পারবেন। এই নিয়ম প্রাথমিকভাবে প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যার অধিকাংশই আফ্রিকার দেশ। বাংলাদেশও এই তালিকায় রয়েছে।
শুক্রবার প্রকাশিত ফেডারেল নোটিশে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মতে, ভিসার শর্ত ভঙ্গ করে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান বা ‘ওভারস্টে’ কমাতে এই ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
এর আগে ২০২৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া কর্মসূচিতে ৫ হাজার, ১০ হাজার বা ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড নির্ধারণের সুযোগ ছিল। নতুন নীতিতে সর্বনিম্ন ৫ হাজার ডলারের বিকল্প বাদ দেওয়া হয়েছে এবং সর্বোচ্চ সীমা বাড়িয়ে ২০ হাজার ডলার করা হয়েছে।
আগামী ৩ আগস্ট থেকে নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
তবে অভিবাসন–অধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তাদের দাবি, অতিরিক্ত আর্থিক শর্তের কারণে বৈধ উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক অনেক আবেদনকারী নিরুৎসাহিত হতে পারেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অভিবাসন ব্যবস্থায় একের পর এক কঠোর নীতি গ্রহণ করছে। প্রশাসনের যুক্তি, জাতীয় নিরাপত্তা জোরদার এবং অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে এসব পদক্ষেপ জরুরি। সমালোচকদের মতে, এসব নীতির প্রভাব বৈধ ভিসা আবেদনকারীদের ওপরও পড়ছে। অতিরিক্ত ফি, আবেদনকারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যাচাইসহ সাম্প্রতিক বিভিন্ন পদক্ষেপ সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।