শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চ্যাটজিপিটিতে ‘বন্ধুকে হত্যার উপায়’ জানতে চাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে কিশোর গ্রেপ্তার

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৪৭ পিএম
চ্যাটজিপিটিতে ‘বন্ধুকে হত্যার উপায়’ জানতে চাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে কিশোর গ্রেপ্তার
expand
চ্যাটজিপিটিতে ‘বন্ধুকে হত্যার উপায়’ জানতে চাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে কিশোর গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, স্কুলের কম্পিউটার ব্যবহার করে সে ওপেনএআই-এর চ্যাটজিপিটিতে ‘বন্ধুকে কীভাবে হত্যা করা যায়’, এমন প্রশ্ন করেছিল। বিষয়টি শনাক্ত করে স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানায়।

মঙ্গলবার এ খবরটি প্রকাশ করেছে এনডিটিভি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্কুলের ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেম ‘গ্যাগল’ (Gaggle) শিক্ষার্থীর অনুসন্ধানটি শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্যালোচনার জন্য সতর্কবার্তা পাঠায়। নিরাপত্তা প্রটোকল অনুযায়ী, সেই তথ্য পৌঁছে যায় স্কুলের পুলিশ ইউনিটে।

এরপর ফ্লোরিডার সাউথওয়েস্টার্ন মিডল স্কুলে অভিযান চালিয়ে পুলিশ ওই শিক্ষার্থীকে শনাক্ত করে আটক করে।

পরে জিজ্ঞাসাবাদে কিশোরটি জানায়, সে মজা করছিল বা বন্ধুকে ট্রল করতে চেয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে সহিংসতার ইতিহাস বিবেচনায় পুলিশ বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নেয়।

ভোলুশিয়া কাউন্টি শেরিফস অফিস নিশ্চিত করেছে, আটক কিশোরকে কিশোর অপরাধ সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের সতর্ক করে বলেছে, শিশুরা যেন প্রযুক্তি ব্যবহার করার সময় এর পরিণতি বোঝে। এই ধরনের ‘রসিকতা’ও বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। গত এপ্রিল মাসে ক্যালিফোর্নিয়ায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর আত্মহত্যা করে। তার বাবা-মায়ের অভিযোগ, চ্যাটজিপিটি তাকে মানসিকভাবে একাকী করে তুলেছিল এবং আত্মহত্যার পরিকল্পনায় সহায়তা করেছিল। পরে তারা ওপেনএআই-এর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

এদিকে স্কুলে ব্যবহৃত মনিটরিং সিস্টেম গ্যাগল নিয়েও সমালোচনা রয়েছে। একাধিক অভিযোগে বলা হয়েছে, এটি কখনও কখনও ভুলভাবে শিক্ষার্থীদের কথোপকথনকে হুমকি হিসেবে শনাক্ত করে, ফলে অপ্রয়োজনীয় আতঙ্ক তৈরি হয়।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার স্কুলে এমন মনিটরিং সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের স্কুল-অ্যাকাউন্ট ও ডিভাইসে লেখা প্রায় সবকিছু স্ক্যান করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এসব সিস্টেম সম্ভাব্য বিপজ্জনক বা উদ্বেগজনক কথোপকথন শনাক্ত করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন বা পুলিশের কাছে পাঠায়।

সূত্র: এনডিটিভি

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন