

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরাক ও ইরানের মতো দেশে মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রবেশ ‘উচিত হয়নি’। তবে একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, নয় মাস আগে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা না চালালে তেহরান এতদিনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করে ফেলত।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
ইরাক ও ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পৃক্ততাকে ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “ইরাকের দিকে তাকান—আমাদের কত বড় ক্ষতি হয়েছে। আমরা এক বিশাল বোকামি করেছি। শুরুতেই সেখানে যাওয়া উচিত হয়নি।”
একই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের ইরানেও যাওয়া উচিত হয়নি, তবে তাদের (ইরানের) পারমাণবিক সক্ষমতা রয়েছে।”
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, “নয় মাস আগে আমরা যদি বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের স্থাপনাগুলোতে আঘাত না হানতাম, তাহলে এখন তাদের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র থাকত। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো—সম্ভবত আজ ইসরায়েলও টিকে থাকত না, এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাও হুমকির মুখে পড়ত।”
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করেনি।
তিনি বলেন, “তাদের সেনাবাহিনীকে আমরা মূলত স্পর্শ করিনি, কারণ আমরা মনে করি তারা তুলনামূলকভাবে নমনীয়। তবে কিছু গোষ্ঠী ছিল যারা নমনীয় নয়—আমরা তাদের নির্মূল করেছি। আমরা নেতৃত্বের কিছু অংশ সরিয়ে দিয়েছি, কিন্তু পুরো সেনাবাহিনীকে টার্গেট করিনি।”
যুদ্ধের কৌশল ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “যখন একটি দেশের সবকিছু ধ্বংস করে দেওয়া হয়, তখন বড় ধরনের ভুল হয়। এতে সেই দেশটি পরবর্তী ৪০ বছরেও পুনর্গঠন করতে পারে না।”
