শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে ডোনাল্ড লু’র জায়গায় পল কাপুর

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৩:৪৬ পিএম
expand
অবশেষে ডোনাল্ড লু’র জায়গায় পল কাপুর

দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতি ও আঞ্চলিক নীতি এখন থেকে সামলাবেন পল কাপুর। মার্কিন সিনেট অবশেষে তাঁকে দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। এর মাধ্যমে ডোনাল্ড লুর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই মার্কিন নাগরিক।

এর আগে এই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন ডোনাল্ড লু, যিনি বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন। তাঁর বিদায়ের পর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কাপুরের নাম মনোনীত করেন।

মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক কমিটিতে কাপুরের মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়। কমিটির অনুমোদনের তালিকায় তিনি ছিলেন মোট ১০৭ জন মনোনীত প্রার্থীর একজন।

দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া অঞ্চলের কূটনৈতিক দায়িত্বে এর আগে ছিলেন নিশা বিসওয়াল— তিনিও ভারতীয় বংশোদ্ভূত। তাঁর পর এই অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্ব পেলেন পল কাপুর, যা যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া নীতিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার ইঙ্গিত দেয়।

পল কাপুর দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা, পরমাণু নীতি ও ইসলামি মিলিট্যান্সি বিষয়ে গবেষণা করে আসছেন। তিনি মার্কিন নৌবাহিনীর পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্কুলে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির হুভার ইনস্টিটিউট-এ অতিথি অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রথম মেয়াদে কাপুর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পলিসি প্ল্যানিং ইউনিটে কাজ করেছিলেন, যেখানে দক্ষিণ এশিয়া সম্পর্কিত নীতি প্রণয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও দক্ষিণ এশিয়ার পারমাণবিক ভারসাম্য নিয়ে তাঁর একাধিক আলোচিত গ্রন্থ রয়েছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—Jihad as Grand Strategy: Islamist Militancy, National Security, and the Pakistani State

Dangerous Deterrent: Nuclear Weapons Proliferation and Conflict in South Asia এছাড়া সহ-লেখক হিসেবে তিনি লিখেছেন India, Pakistan, and the Bomb: Debating Nuclear Stability in South Asia।

বিশ্লেষকদের মতে, পল কাপুর দায়িত্ব নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া নীতিতে নতুন দিকনির্দেশনা আসতে পারে। ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাঁর অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন