

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজা শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীদের দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
সোমবার (৬ অক্টোবর) মিশরে হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে শান্তিচুক্তি আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। বিষয়টি জানায় বিবিসি।
কাতার থেকে কায়রো পৌঁছেছেন হামাসের প্রধান আলোচক খালিল আল-হায়া। ইসরাইলি প্রতিনিধিদল ছাড়াও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের শ্বশুর ও উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার, এবং কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
হামাস মার্কিন ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনার কয়েকটি ধাপে আংশিক সম্মতি জানিয়েছে। তবে মূল দাবিগুলো—নিরস্ত্রীকরণ এবং ভবিষ্যতে গাজার প্রশাসনে ভূমিকা না রাখার বিষয়—এখনও উল্লেখ করেনি।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, আলোচনাগুলো খুব সফল হয়েছে। প্রথম ধাপ এই সপ্তাহের মধ্যেই শেষ হবে, তাই সবাইকে দ্রুত এগোতে হবে। সময় এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নয়তো ব্যাপক রক্তপাত ঘটবে।
তিনি আরও বলেন, বন্দি মুক্তি প্রক্রিয়া খুব শিগগিরই শুরু হবে।
তিনি মনে করান, আমাদের কোনো নমনীয়তা দরকার নেই, কারণ প্রায় সবাই মূলত একমত হয়েছে। তবে কিছু পরিবর্তন অবশ্যই আসবে। ট্রাম্প এ চুক্তিকে ইসরাইল, আরব ও মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
ট্রাম্পর ২০ দফা প্রস্তাবে বন্দি মুক্তি ও যুদ্ধবিরতির কথা উল্লেখ থাকলেও গাজায় হামলা অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি সরকারের মুখপাত্র শোশ বেদরোসিয়ান জানান,
“গাজার কিছু এলাকায় বোমাবর্ষণ স্থগিত হয়েছে, তবে এখনও পূর্ণ যুদ্ধবিরতি কার্যকর নয়। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সেনাবাহিনীকে আত্মরক্ষার প্রয়োজনে পাল্টা হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।”
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৫ জন নিহত হয়েছেন এবং বহু ভবন ধ্বংস হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, বন্দি মুক্তির প্রক্রিয়া সহজ করতে গাজার বোমাবর্ষণ স্থগিত করা জরুরি।
ট্রাম্পর ২০ দফা প্রস্তাবে যুদ্ধবিরতি ও ৪৮ জন বন্দি মুক্তির প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত আছে—যাদের মধ্যে ধারণা করা হচ্ছে মাত্র ২০ জন এখনও জীবিত।
মন্তব্য করুন
