

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে আপাতত নতুন কোনও দেশকে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে ইসলামাবাদ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মূল কমান্ড কাঠামো সম্পূর্ণরূপে শক্তিশালী না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে বলে জানান তিনি। খবর আরব নিউজের।
এদিকে মক্কা চুক্তির শর্তাবলী বাস্তবায়নে ইসলামাবাদ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন ওই মুখপাত্র। তবে সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর লক্ষ্য করে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর হামলার জবাবে কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেয়ার বিষয়ে আপাতত আলোচনা হচ্ছে না বলে স্পষ্ট করেন তিনি।
গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর হামলায় সৌদি আরবের খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি এবং নিকটবর্তী শহরগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই হামলায় অন্তত ৭৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হন।
গত আগস্টে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনও একটির ওপর হামলার ঘটনা বাকি সব দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। হামলার পরপরই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানান, সৌদি আরবের ওপর যেকোনও আগ্রাসনের মুখে এই চুক্তি কার্যকর হতে পারে।
সাপ্তাহিক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান ইয়েমেনি হুতিদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়টিকে ‘কাল্পনিক’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে এটি সম্পূর্ণ একটি কাল্পনিক বিষয়। পাকিস্তান একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী পাকিস্তান চুক্তি কার্যকর করবে। তবে এই মুহূর্তে এ ধরনের কোনো আলোচনা হচ্ছে না।’

