

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে আকস্মিক হামলা চালিয়েছে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের দাবি, এই হামলায় বেশ কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা ও কারিগরি কর্মী নিহত হয়েছেন। এসময় তিনটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ধ্বংস এবং আরও তিনটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে তেহরান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে জর্ডানের আজরাক বিমানঘাঁটিতে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে আইআরজিসি। তবে এই হামলার দাবি তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে পারেনি বার্তা সংস্থা রয়টার্স। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও এখনো এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
ইরানি বাহিনী দাবি করেছে, এই হামলায় তাদের নিশানায় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জামও। হামলায় তিনটি মার্কিন এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে এবং আরও তিনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বুধবার রাতে কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান।
এর আগে, বুধবার রাতে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও বড় ধরনের হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ড্রোন স্থাপনা ও কমান্ড সেন্টারে এই বিমান হামলা চালানো হয়।
ইরান যুদ্ধ আসলেই থামবে, নাকি কেবলই সময়ক্ষেপণ?
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া দুই ঘণ্টার এই অভিযানে আইআরজিসির ডজনখানেক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। ইরান ও তার মিত্রদের হুমকি কমাতে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে দাবি যুক্তরাষ্ট্রের।
ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, কশম দ্বীপে মার্কিন এই হামলায় অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। দুই দেশের পাল্টাপাল্টি এই হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে নতুন করে যুদ্ধের তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, মেহর নিউজ