

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরে আঞ্চলিক নির্বাচনের প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ চলাকালে প্রাণঘাতী সংঘর্ষে ৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহতের অভিযোগ উঠেছে। গত ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত এ ভোট বর্জন করে বিক্ষোভ করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক ও সামাজিক অধিকার আন্দোলন জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা।
জেএএসি নেতারা বলছেন, চলতি সপ্তাহের শুরুতে পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। জেএএসি কমিটির সদস্য সরদার উমর নাজির দাবি করেছেন, গত সোমবার (২৭ জুলাই) প্রথম দফায় ভোটগ্রহণের দিন একটি মিছিল চলাকালে দলটির ২০ জন সমর্থক নিহত হয়েছেন। পরদিন রাওয়ালকোট, মিরপুর এবং অন্যান্য শহরে অবস্থান ধর্মঘট চলাকালে আরও অন্তত ১০ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন।
ভিডিও বার্তায় নাজির আরও বলেন, আমাদের দাবি শান্তিপূর্ণ ছিল। তবু, আমাদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। অপরদিকে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সোমবারের সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর একজন সদস্য নিহত এবং আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের খবরকে ‘উদ্বেগজনক’ বলে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে মানবাধিকার সংস্থাটি নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।
সংঘাত পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসিএলইডি’র জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক পিয়ার পান্ডিয়া বলেছেন, কাশ্মীরের এই সহিংসতা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার বৈধতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে।সংবাদ প্রতিবেদন
প্রসঙ্গত, সোমবার আজাদ কাশ্মীরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ১৩টি আসনের মধ্যে ৯টিতে জয়লাভ করেছে পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন পিএমএল-এন। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা দাবি করছেন, আজাদ কাশ্মীরে নির্বাচন ঘিরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে সশস্ত্র এবং ‘ভারত-সমর্থিত’ গোষ্ঠী। যদিও এর আগে ভারত এ ধরনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।