

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আমরা কারাগারে ছিলাম না — কসাইখানায়, নামমাত্র কারাগারে ছিলাম। এমনই দাবি করেছেন সোমবার (১৩ অক্টোবর) আবদাল্লাহ আবু রাফে, যিনি ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।
তিনি বলেন,কারাগারের পরিস্থিতি ভয়াবহ ছিল। গদি ছিল না — যেগুলো ছিল সেগুলোও তারা কেড়ে নিয়েছে। খাবার ছিল ঘোর বিপর্যস্ত, সবই কষ্টকর ছিল।
মুক্তি পাওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে রাফে বলেন, অসাধারণ এক অনুভূতি।
অন্য একজন বন্দি, ইয়াসিন আবু আমরা, বলেন, খাবার ছিল না, নির্যাতন ছিল — সবকিছুই বরঝর। চার দিন ধরে কিছুই খেলাম না। এখান থেকে আমাকে দুটি মিষ্টি দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো দিয়েই প্রাণ ধরে ছিল।
মুক্তিপ্রাপ্ত আরও একজন সাঈদ শুবাইর বললেন, এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। কারাগার থেকে বেরিয়ে সূর্য দেখাটা অমূল্য। শৃঙ্খলমুক্ত হাত — এ ধরনের স্বাধীনতা বলে ভাষায় বলা যায় না।
সংবাদ অনুসারে, মঙ্গলবার প্রায় ২৫০ জন এমন বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে যারা আজীবন বা দীর্ঘ কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন। পাশাপাশি গাজা থেকে যুদ্ধের সময় আটক প্রায় ১,৭১৮ জন বাকি বন্দিরাও মুক্তি পেয়েছেন। জাতিসংঘ তাদের অনেককে ‘জোরপূর্বক গুম’ হয়েছিলেন বলে তালিকাভুক্ত করেছে।
মুক্তিপ্রাপ্ত বন্দিরা Ofer কারাগারকে “কসাইখানা” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। এদের মধ্যে অনেকেই বলেছে, গদি ও খাবার ছিল না, এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে।
মন্তব্য করুন
