

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘একটি দুঃস্বপ্নের পরিসমাপ্তি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে দেওয়া এক আবেগঘন ভাষণে তিনি এই চুক্তিকে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন এক সূচনার প্রতীক হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
এসময় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ট্রাম্পের দূরদর্শী নেতৃত্বই দুই বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ইতি টেনেছে।
সোমবার সকালে ট্রাম্প যখন বেন গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান, তখন তাকে উষ্ণ স্বাগত জানান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি আইজ্যাক হার্জগ। পরে নেসেটে প্রবেশের সময় তাকে দেওয়া হয় বীরের মর্যাদা। উপস্থিত আইনপ্রণেতাদের অনেকেই মাথায় “ট্রাম্প” লেখা টুপি পরে ছিলেন। এই প্রথমবারের মতো নেসেটে ভাষণ দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের চতুর্থ কোনো প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্প বলেন: এটি শুধু একটি যুদ্ধের সমাপ্তি নয়—এটি একটি যুগের শেষ, সন্ত্রাসের পতন এবং শান্তির নতুন যাত্রা শুরু। এটি নতুন মধ্যপ্রাচ্যের এক ঐতিহাসিক ভোর।
তিনি শান্তিচুক্তির সফল বাস্তবায়নে সহযোগিতাকারী আরব রাষ্ট্রসমূহ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ-কে ধন্যবাদ জানান।
ভাষণ চলাকালে নেসেটের দুই সদস্য ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে প্রতিবাদ করলে, তাদের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সরিয়ে নেন। এ ঘটনার মধ্যেও ট্রাম্প তার বক্তব্য অব্যাহত রাখেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন: এই চুক্তির মাধ্যমে আমাদের সকল জিম্মি ঘরে ফিরেছে, আমাদের কৌশলগত লক্ষ্য পূরণ হয়েছে এবং একটি সুষ্পষ্ট যুদ্ধের ইতি টানা গেছে।
তিনি আরও যোগ করেন, ট্রাম্পের কূটনৈতিক অবস্থান ও ভূমিকাই এই শান্তির পথ সুগম করেছে। নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে তেল আবিবের ‘মহৎ বন্ধু’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং জানান, আরব রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে ট্রাম্প ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
মধ্যপ্রাচ্য সফরের পূর্বে রোববার এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, গাজার সংঘাতের অবসান হয়েছে। দুই পক্ষই মৌখিকভাবে চুক্তির বাস্তবায়নে সম্মত হয়েছে।
এই ঘোষণার পরপরই গাজায় ধাপে ধাপে জিম্মি মুক্তি ও কারাবন্দি বিনিময় শুরু হয়।
মন্তব্য করুন