

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বের জ্ঞান-বিজ্ঞানে ইরানি নারীদের অবস্থান উল্লেখযোগ্য, বিশেষ করে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা এবং নির্দিষ্ট কিছু বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে তাদের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। যদিও সামগ্রিক মানবাধিকারের কিছু সূচকে তাদের অবস্থান দুর্বল, তবুও তারা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে নিজেদের একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন।
উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা
শিক্ষায় অংশগ্রহণ: ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর থেকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ইরানি নারীদের উপস্থিতি শক্তিশালী হয়েছে এবং তারা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছেন।
গবেষণার অগ্রগতি: ইরানের ৩৪৫ জন নারী গবেষক বিশ্বের উচ্চমানের গবেষকদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন, যা বিজ্ঞানের অগ্রগতিতে তাদের অবদানের প্রমাণ। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের শীর্ষ নারী গবেষকদের নিয়ে গর্ব করে।
ক্ষেত্র: ফার্মাকোলজি, ফার্মাসিউটিক্যাল রসায়ন এবং জৈব ও পলিমার রসায়নের মতো পরীক্ষামূলক ক্ষেত্রগুলোতেও তারা সক্রিয়ভাবে অবদান রাখছেন।
মেডিকেল শিক্ষা: ইরানের ৩৮টি মেডিকেল স্কুলের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষার্থীই মহিলা। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
মুস্তাফা পুরস্কার: সম্মানজনক 'মুস্তাফা পুরস্কার' জিতেছেন এমন একজন নারী বিজ্ঞানী রয়েছেন, যা মুসলিম বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে তাদের অবদানের স্বীকৃতি।
সীমাবদ্ধতা
সামাজিক ও আইনি প্রতিবন্ধকতা: কিছু সামাজিক ও আইনি সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও, ইরানি নারীরা জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তাদের অবদান রাখা অব্যাহত রেখেছেন।
সামগ্রিক অবস্থান: জর্জটাউন ইনস্টিটিউট ফর উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি অনুসারে, ২০২৩ সালে নারীর অন্তর্ভুক্তি, ন্যায়বিচার এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ইরান ১৭৭টি দেশের মধ্যে ১৪০তম স্থানে ছিল।
সংক্ষেপে, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও, ইরানি নারীরা শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছেন এবং বিশ্বে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে তাদের অবদান রাখছেন।
মন্তব্য করুন