

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের প্রাথমিক চুক্তিতে সম্মত হওয়ার পরও ফিলিস্তিনিদের উত্তর গাজায় ফিরে না যেতে কড়া সতর্কতা জারি করেছে ইসরায়েল।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে প্রথম ধাপের শান্তি পরিকল্পনা স্বাক্ষরিত হওয়ার পর বুধবার এই নির্দেশ দেয় দেশটির সেনাবাহিনী।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র আভিচাই আদ্রাই এক বিবৃতিতে জানান, গাজার উত্তরাঞ্চল, বিশেষ করে মধ্য ও উত্তর অংশকে বিভক্তকারী উপত্যকা এলাকা এখনো অত্যন্ত বিপজ্জনক যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, “গাজা শহরকে আমাদের বাহিনী পুরোপুরি ঘিরে রেখেছে। সেখানে ফিরে যাওয়া এখন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হতে পারে। নিজের নিরাপত্তার জন্য কেউ যেন উত্তরে না ফেরে। ইসরায়েলি সেনারা এখনো গাজার দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলেও সক্রিয়ভাবে তৎপরতা চালাচ্ছে। নতুন নির্দেশ জারি না হওয়া পর্যন্ত এসব এলাকায় যাওয়া থেকে বিরত থাকুন।”
একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, গাজার উত্তরাঞ্চলে এখনো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর উপস্থিতি রয়েছে এবং অভিযান চলমান থাকায় সেখানে বেসামরিকদের প্রবেশ নিরাপদ নয়।
এদিকে যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময়ের বিষয়ে হামাস ও ইসরায়েল একমত হলেও, ঘোষণার কিছু সময় পরই গাজা উপত্যকায় ফের বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
গাজা সিভিল ডিফেন্সের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আল-মুগাইর জানান, যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়ার পরপরই ইসরায়েলি বিমানবাহিনী গাজা সিটিসহ একাধিক স্থানে বোমাবর্ষণ করেছে। এতে বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ড ও ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপি জানায়, প্রস্তাবিত যুদ্ধবিরতি কাঠামোর ঘোষণার পরও মঙ্গলবার রাতে উত্তর গাজা অঞ্চলে একাধিক বিস্ফোরণ শোনা গেছে।
বেশ কিছু এলাকায় ঘন ধোঁয়া দেখা যায় এবং স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এসব হামলায় হতাহতের সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
গাজা উপত্যকায় চলমান এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নতুন করে শান্তি প্রক্রিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যুদ্ধবিরতির পরও হামলা চালানো হলে চুক্তির বাস্তবায়ন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
মন্তব্য করুন
