শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে দ্রুত মিসর সফরে যাচ্ছেন ট্রাম্প

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:৩৪ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
expand
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় প্রথম ধাপের শান্তি চুক্তিতে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে প্রাথমিক ঐকমত্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার (৮ অক্টোবর) নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল–এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, এ চুক্তির আওতায় গাজায় আটক বন্দিদের মুক্তি এবং ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহারের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ট্রাম্প বলেন, “এটি একটি স্থায়ী শান্তির দিকে দৃঢ় পদক্ষেপ।”

চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার জন্য ট্রাম্প শিগগিরই মিসর সফর করবেন বলে জানানো হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি শনিবারের মধ্যেই দেশটি সফরে যেতে পারেন।

আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় বুধবার ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছিলেন ট্রাম্প। সে সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁকে একটি চিরকুট দেন। তা পড়ার পর ট্রাম্প জানান, “আমরা মধ্যপ্রাচ্যে একটি বড় অগ্রগতির খুব কাছে পৌঁছে গেছি। সেখানে আমার উপস্থিতি জরুরি হয়ে পড়েছে।”

হোয়াইট হাউস সূত্রে আরও জানা যায়, শুক্রবার সকালে বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ট্রাম্প মিসরের উদ্দেশে যাত্রা করতে পারেন।

উল্লেখ্য, গত মাসে ট্রাম্প গাজা সংকট নিরসনে ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব দেন, যার প্রতি ইসরায়েল ও হামাস উভয়ই ইতিবাচক মনোভাব দেখায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মিসরের শারম আল শেখ শহরে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়, যা বুধবার তৃতীয় দিনে গড়ায়।

আলোচনায় যুক্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার, কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানি এবং তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল আক্রমণের পর থেকেই গাজায় ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। হামাসের হামলায় ইসরায়েলে নিহত হন ১ হাজার ২১৯ জন এবং জিম্মি করা হয় ২৫১ জনকে। অপরদিকে, হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলায় গাজায় ৬৭ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন