

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দীর্ঘ সংঘাত ও অনিশ্চয়তার পর অবশেষে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো—হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বুধবার এক ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেন।
ট্রাম্প তার সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক বার্তায় লেখেন, “এই চুক্তি কার্যকর হলে সকল জিম্মিকে খুব শিগগির মুক্তি দেওয়া হবে, আর ইসরাইল নির্ধারিত সীমান্ত পর্যন্ত সেনা প্রত্যাহার করবে।”
অন্যদিকে, হামাসও চুক্তির সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছে যে তারা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সহযোগিতা প্রত্যাশা করছে, যাতে ইসরাইল চুক্তির সব শর্ত বাস্তবায়ন করে।
ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই সমঝোতাকে “ইসরাইলের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ দিন” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, চুক্তির আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের জন্য বৃহস্পতিবার মন্ত্রিসভা বৈঠক ডাকা হবে।
এই আলোচনাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে মিশরে—গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরুর ঠিক দুই বছর দুই দিন পর। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই শান্তি টিকে থাকে, তবে এটি ট্রাম্প প্রশাসনের দ্বিতীয় মেয়াদের সবচেয়ে বড় পররাষ্ট্রনীতিগত অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে।
পটভূমিতে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে ইসরাইলে হামলায় প্রায় ১,২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। এরপর ইসরাইলের পাল্টা অভিযানে গাজা উপত্যকায় অন্তত ৬৭ হাজারের বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটে, যার মধ্যে ২০ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে বলে গাজাভিত্তিক স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
মন্তব্য করুন
