মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাকিস্তান সীমান্তে ভারতের ‘ত্রিশুল’ মহড়া, বাড়ছে উত্তেজনা

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০২ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০২ পিএম
রাজস্থানের পশ্চিম মরুভূমি অঞ্চলে ‘ত্রিশুল’ নামের বৃহৎ যৌথ সামরিক মহড়া
expand
রাজস্থানের পশ্চিম মরুভূমি অঞ্চলে ‘ত্রিশুল’ নামের বৃহৎ যৌথ সামরিক মহড়া

অপারেশন সিন্দুরের পর প্রথমবারের মতো ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী রাজস্থানের পশ্চিম মরুভূমি অঞ্চলে ‘ত্রিশুল’ নামের বৃহৎ যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে।

মহড়াটি ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হয়ে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে। এদিকে এ নিয়ে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এতে সেনাবাহিনীর দক্ষিণ কমান্ড, নৌবাহিনীর পশ্চিম কমান্ড, বিমান বাহিনীর দক্ষিণ-পশ্চিম বিমান কমান্ড, উপকূলরক্ষী বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও অন্যান্য কেন্দ্রীয় সংস্থা অংশ নিচ্ছে।

দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, নৌবাহিনী ২০–২৫টি যুদ্ধজাহাজ এবং বিমান বাহিনী প্রায় ৪০টি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। মোটামুটি ৩০ হাজার প্রতিরক্ষা কর্মী এতে অংশ নিচ্ছে, যা ভারতের ইতিহাসের বৃহত্তম যৌথ সামরিক মহড়া হিসেবে বিবেচিত। মহড়ার এলাকা রাজস্থানের মরুভূমি থেকে কচ্ছ এবং স্যার ক্রিকের উপকূলীয় ও জলাভূমি অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত।

এক সেনা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ত্রিশুল মহড়ার মূল লক্ষ্য হলো স্থল, আকাশ, মহাকাশ ও মানবহীন নজরদারি সম্পদ একীভূত করা।

এতে একীভূত অভিযান, গভীর আক্রমণ এবং বহু-ডোমেন যুদ্ধ দক্ষতা যাচাই করা হবে। এছাড়া পূর্ণ-চক্র ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্পেকট্রাম অপারেশন এবং কাউন্টার-ড্রোন প্রযুক্তির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

মহড়ার সময় সেনাবাহিনী নতুন দেশীয় অস্ত্র ও উন্নত প্রযুক্তির সিস্টেম পরীক্ষা করবে। এর মধ্যে রয়েছে টি-৯০ এস ও অর্জুন ট্যাঙ্ক, হাউইটজার, অ্যাপাচি আক্রমণ হেলিকপ্টার, ভারী-লিফ্ট হেলিকপ্টার, কাউন্টার-ড্রোন সিস্টেম, যোগাযোগ জ্যামিং এবং স্বয়ংক্রিয় স্পেকট্রাম পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা।

মহড়ার অংশ হিসেবে সেনাবাহিনী ‘সুদর্শন কর্পস’ নামে একটি লজিস্টিক ড্রিলও পরিচালনা করেছে, যা ভারতের সামরিক উদ্ভাবন এবং স্বনির্ভরতার দিক তুলে ধরে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন