

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনের বাইরে নিরাপত্তা ব্যারিকেড সরিয়ে নেওয়া হয় তিন দিন আগে। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে আজ নয়াদিল্লিতে পাকিস্তান হাইকমিশনের বাইরে থাকা বেশ কিছু স্থাপনা ও ব্যারিকেড গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো জেসিবি মেশিন দিয়ে পাকিস্তান হাইকমিশনের কম্পাউন্ডের বাইরে থাকা অনুমোদনহীন স্থাপনাগুলো সরিয়ে দেয়। এর মধ্যে সড়কের পাশের ব্যারিকেড, ট্রাফিক বোলার্ড এবং ভিসা বিভাগের কাছে থাকা স্থাপনার কাঠামোও ছিল।
কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব স্থাপনা হাইকমিশনের অনুমোদিত সীমানার বাইরে নির্মাণ করা হয়েছিল। অভিযানের সময় হাইকমিশনের বাইরের নিরাপত্তাবেষ্টনীও সরিয়ে নেওয়া হয়।
ঘটনাস্থলের ভিডিও ও ছবিতে ধ্বংস করা স্থাপনার ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। ভাঙা ধাতব রেলিং, গেট, ধাতব কাঠামো ও কংক্রিটের টুকরো পড়ে ছিল। বাইরের কিছু অংশের ছাদ ও ধাতব বেড়াও পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সেবা কাউন্টারগুলোর আশপাশের দেয়াল ও প্লাস্টারের কিছু অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তবে পাকিস্তান হাইকমিশনের মূল প্রবেশপথ অক্ষত রয়েছে। পাকিস্তানের প্রতীকসংবলিত বড় ধাতব ফটক ও মূল ভবনের সাদা দেয়ালও অক্ষত ছিল। কম্পাউন্ডের কিছু অংশে কাঁটাতারের বেড়াও দেখা গেছে।
এই পদক্ষেপের তিন দিন আগে ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনের বাইরে থাকা নিরাপত্তা ব্যারিকেড সরিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ বলে খবর প্রকাশিত হয়। ফলে দিল্লির সর্বশেষ পদক্ষেপকে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনাও তৈরি হয়েছে। বুধবার শ্রীনগর সফরে ভারতের মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর জম্মু ও কাশ্মীরকে ‘ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশ’ বলে মন্তব্য করেন এবং উপত্যকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রশংসা করেন।
তার এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে পাকিস্তান ইসলামাবাদে মার্কিন ভারপ্রাপ্ত চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ন্যাটালি বেকারকে তলব করে প্রতিবাদ জানায়।
তবে পাকিস্তান হাইকমিশনের বাইরে বৃহস্পতিবারের এই উচ্ছেদ অভিযান সার্জিও গোরের মন্তব্য নিয়ে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সরকারি বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


