

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্ক এবং শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের জেরে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়ার প্রায় দুই সপ্তাহ পর নীরবতা ভেঙেছেন ভারতের বিজেপি নেতা ধর্মেন্দ্র প্রধান।
তিনি দাবি করেছেন, আন্দোলনের সময় ‘জেন জি’ বা তরুণ প্রজন্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিভ্রান্ত করা হয়েছিল।
ওড়িশার ভুবনেশ্বরের জিএম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ রক্ষার স্বার্থেই তিনি দায়িত্বের চেয়ে নৈতিকতাকে প্রাধান্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, গত ২৫ জুলাই দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের পর তিনি স্বেচ্ছায় প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানান। তাঁর ভাষায়, ‘জেন জি আমাদেরই সন্তান। কিছু মানুষ তাদের উসকে দিয়েছিল। দেশের নতুন প্রজন্মই ভবিষ্যতে ভারতকে এগিয়ে নেবে। তাই পদ আঁকড়ে না থেকে আমি নিজেই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
পরে রায়রাখোলে এক জনসভায় তিনি ওড়িশার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেডি সভাপতি নবীন পট্টনায়কের সমালোচনা করেন। বিমানবন্দরে বিজেডির যুব ও ছাত্র সংগঠনের ‘ধর্মেন্দ্র প্রধান ফিরে যান’ স্লোগানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমি একজন কৃষকের ছেলে। যতবার ফিরে যেতে বলবেন, ততবারই মানুষের কাছেই ফিরে আসব। আমি এমন কোনো কাজ করিনি, যা ওড়িশার সুনাম ক্ষুণ্ন করে।’
তবে ধর্মেন্দ্র প্রধানের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেডি। দলের সম্বলপুর জেলা সভাপতি রোহিত পূজারী বলেন, দিল্লিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপই ধর্মেন্দ্র প্রধানের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। এখন তিনি নিজের ব্যর্থতা আড়াল করতে অন্যের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছেন।
এদিকে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের সফরকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সম্বলপুর পুলিশ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রায় ৩০ জন বিজেডি কর্মীকে আটক করেছে।