

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভারতে প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট তীব্র অচলাবস্থা কাটানোর লক্ষ্যে তরুণদের নেতৃত্বাধীন 'ককরোচ জনতা পার্টি' (সিজেপি)-র প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিরা।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে নিরপেক্ষ পরিবেশে এই বৈঠকটি শুরু হয়।
তবে আলোচনা শুরু হলেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত দেশজুড়ে চলমান বিক্ষোভ ও আন্দোলন কর্মসূচি এখনই স্থগিত করা হবে না বলে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্ন ফাঁস রোধে পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের দাবিতে অনড় রয়েছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
এদিকে টানা ২৬ দিন অনশন করার পর অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক গত রাতে তার অনশন ভঙ্গ করায় সংকটের একটি সম্ভাব্য সমাধানের পথ উন্মুক্ত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের কঠোর শাস্তির বিধান রেখে আইন সংশোধনের খসড়া নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনার কথা জানিয়েছেন।
তবে আন্দোলনকারীরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, কেবল শাস্তি নয়, বরং প্রশ্ন ফাঁস ঠেকানোর জন্য পুরো পরীক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। অনশন ভাঙা সোনম ওয়াংচুকও সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে তার আলোচনার বিস্তারিত একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, কর্মসংস্থানের অভাব এবং বারবার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ভারতীয় তরুণদের মধ্যে তৈরি হওয়া ক্ষোভেরই বহিঃপ্রকাশ এই আন্দোলন। উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বৃহস্পতিবার ১৬টি মেট্রো স্টেশন ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছিল, যা সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তিতে ফেলে।
দিল্লি মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আজ শুক্রবার সকাল থেকে পুনরায় ১৭টি স্টেশন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে। এ সপ্তাহে এ নিয়ে তিনবার এমন বড় আকারের মেট্রো বন্ধের ঘটনা ঘটল।