

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগকে ঘিরে জোর আলোচনা চলছে। বঙ্গভবন-সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, তার পদত্যাগের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে অবস্থানরত জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুরে দেশে ফিরেছেন।
স্পিকারের আগাম দেশে ফেরা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জনকে আরও জোরালো করেছে। কারণ, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে তার পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে জমা দিতে হয়।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, গত এক সপ্তাহ তিনি দেশের বাইরে ছিলেন। তাই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে তার কাছে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই।
তিনি বলেন, “আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি।” ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরেছেন বলেও জানান তিনি।
স্পিকার বলেন, তিনি দেশের বাইরে ছিলেন। ফলে এ সময়ে দেশে কী ঘটেছে বা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, সে সম্পর্কে তার জানা নেই। দেশে ফিরে এখন বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে পারবেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদের দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পর ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে।
বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তা বৃহস্পতিবার জানান, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। পদত্যাগপত্র লেখা হয়েছে। যদিও তিনি এখনো (বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টা) স্বাক্ষর করেননি। স্পিকার দেশে না থাকায় পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি বিলম্বিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা। তিনিই একমাত্র রাষ্ট্রপতি, যিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন।