

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভাঙনের মুখে পড়ল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস। ভেঙে দেওয়া হলো তৃণমূলের সকল কমিটি। দলের প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ উপেক্ষা করে দলটির ৫৯ জন বিধায়ক বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা নির্বাচন করেছেন দল থেকে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তাঁকে বিরোধী নেতা চেয়ে আজ বুধবার দুপুরে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে চিঠিও দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহীরা। চিঠিতে অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দলের সভানেত্রী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
৩১ মে মমতার কালীঘাটের বাড়িতে বিধায়কদের নিয়ে বৈঠক ডাকা হয়েছিল। ৮০ তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে হাজির হয়েছিলেন মেরেকেটে ১৭! সেই বৈঠকই ভেস্তে যায়।
১লা জুন তৃণমূলের তরফে মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছিল প্রতি অঞ্চল, ব্লকে, প্রতি ওয়ার্ডে। ২ জুন ওয়াই চ্যানেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরনায় বসেছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন জনা আটেক বিধায়ক, জনা ছয়েক সাংসদ।
এর পরেই আজ, ৩ জুন যত কাণ্ড বিধানসভায়। তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা চেয়ে তৃণমূলের ৫৮ জন বিধায়ক হাজির হন সেখানে। স্পিকারকে চিঠি দেন। সেখানে সাবিনা ইয়াসমিন থেকে কানাইয়ালাল আগরওয়াল, রথীন ঘোষ থেকে শিউলি সাহা, আখরুজ্জামান কে ছিলেন না। সকলেই সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সই-বিতর্কে সায় নেই তাঁদের। নিন্দা করেছেন প্রকাশ্যেই। টালমাটাল তৃণমূলের তরী। এরই মধ্যে তৃণমূলের সমস্ত শাখা সংগঠন ভেঙে দেওয়া হলো।
