

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


স্ত্রী মারা যাওয়ার পর গভীর একাকিত্বে দিন কাটাচ্ছিলেন ভারতের উত্তর প্রদেশের জৌনপুর জেলার ৭৫ বছর বয়সী সাংগুরাম। দীর্ঘদিনের সেই নিঃসঙ্গতা দূর করতে অবশেষে আবার বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় এক মন্দিরে ৩৫ বছর বয়সী নারী মানভাবতীর সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। কিন্তু সুখের নতুন অধ্যায় শুরু করার একদিন পরেই মৃত্যু হলো সাংগুরামের।
প্রায় এক বছর আগে সাংগুরামের স্ত্রী মারা যান। নিঃসন্তান এই বৃদ্ধ কৃষিকাজ করে জীবিকা চালাতেন। একা থাকার কষ্টই তাকে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার দিকে ঠেলে দেয়। আত্মীয়রা এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেও তিনি নিজের ইচ্ছাতেই বিয়ের আয়োজন করেন।
সোমবার আদালতে রেজিস্ট্রেশন শেষে জালালপুর এলাকায় এক মন্দিরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে তাদের বিয়ে হয়। মানভাবতীরও এর আগে একটি সংসার ছিল এবং তার দুই সন্তান রয়েছে। সাংগুরাম বিয়ের আগে সন্তানদের দায়িত্ব নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
নববধূ মানভাবতীর ভাষ্য অনুযায়ী, বিয়ের রাতে তারা গল্প করে সময় কাটান। তবে মঙ্গলবার সকালে হঠাৎ সাংগুরামের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হঠাৎ মৃত্যুতে গ্রামে নেমে আসে শোকের ছায়া। কেউ কেউ এটিকে প্রাকৃতিক মৃত্যু বলে মনে করলেও, আবার অনেকে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। সাংগুরামের আত্মীয়রা মরদেহের শেষকৃত্যে বাধা দিয়ে জানান, দিল্লিতে থাকা ভাতিজারা না আসা পর্যন্ত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে না। একইসঙ্গে ময়নাতদন্তের দাবি তোলেন তারা।
পুলিশ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি।
মন্তব্য করুন
