

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সহিংস বিক্ষোভের জেরে টালমাটাল হয়ে পড়েছে নেপাল।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) একদিনে পরপর দু’জন শীর্ষ নেতা পদ ছাড়লেন। সকালে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের চাপে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান কেপি শর্মা অলি। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাওডেলও পদত্যাগ করেন।
প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে হামলা চালিয়ে বিক্ষোভকারীরা অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে। পাশাপাশি কেপি শর্মা অলির ব্যক্তিগত বাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয়।
টানা দ্বিতীয় দিনের মতো চলা সহিংসতায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও বিক্ষোভকারীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়।
বিক্ষোভকারীরা সোমবার পদত্যাগ করা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখকের বাড়ি ও অন্যান্য শীর্ষ নেতার বাড়িতেও হামলা চালান। অর্থমন্ত্রী বিষ্ণু প্রসাদ পাওডেলকে মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা ও তার স্ত্রী আরজু রানাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনাও ঘটেছে।
এদিকে পদত্যাগের পর কেপি শর্মা অলি ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে করে দুবাই যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতি শান্ত করতে সর্বদলীয় জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় সেই বৈঠক হওয়ার কথা।
অশান্ত পরিস্থিতি বিবেচনায় ভারত তাদের নাগরিকদের নেপালে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দিয়েছে। দেশটিতে অবস্থানরত ভারতীয়দের ঘরে থাকার, জনসমাগম এড়িয়ে চলার এবং দূতাবাসের নির্দেশনা মানার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে নেপালে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্যও সতর্কতা জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
মন্তব্য করুন