


এক বছর আগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমেছিলেন নেপালের হাজারো তরুণ। পুলিশের গুলিতে প্রাণহানি, কারফিউ, গ্রেপ্তার এবং ব্যাপক সহিংসতার মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা সেই জেন-জি আন্দোলন শেষ পর্যন্ত সরকার পতন ঘটায়। ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। এরপর দেশটিতে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার এবং চলতি বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন।
আন্দোলনের এক বছর পূর্তিতে প্রশ্ন উঠেছে তরুণদের সেই দাবিগুলো কতটা পূরণ হয়েছে?
কী ঘটেছিল এক বছর আগে
২০২৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর কাঠমান্ডুসহ নেপালের বিভিন্ন শহরে জেন-জি আন্দোলন শুরু হয়। দুর্নীতি, রাজনৈতিক ক্ষমতাসীনদের জবাবদিহির অভাব এবং স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকেই এ আন্দোলনের সূত্রপাত। সরকারি কর্মকর্তাদের সন্তানদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের বিষয়টিও তরুণদের ক্ষোভ বাড়িয়ে দেয়।
এর কয়েক দিন আগে নেপাল সরকার ‘ক্ষতিকর’ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে সরকারি নিয়ম না মানার অভিযোগে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স ও টিকটকসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করে দিয়েছিল। আন্দোলন শুরু হলে সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।
কারফিউ অমান্য করে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নামলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালায়। এতে প্রায় ৭৬ জন নিহত হন। আহত হন শত শত মানুষ এবং আরও বহু বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিক্ষোভকারীরা সংসদসহ বেশ কয়েকটি সরকারি ভবনে আগুন দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়।
পরদিন, ৯ সেপ্টেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেন। এক সপ্তাহের মধ্যে নেপালের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
পরবর্তীতে চলতি বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়। ৩৫ বছর বয়সী র্যাপার থেকে রাজনীতিতে আসা বালেন্দ্র শাহ নেপালের সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টির (আরএসপি) নেতৃত্ব দেন। মার্চের নির্বাচনে দলটি সরাসরি নির্বাচিত ১৬৫টি আসনের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি জয় করে। বিপরীতে ঐতিহ্যবাহী দল নেপালি কংগ্রেস ও সিপিএন-ইউএমএলের আসনসংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কমে যায়।
বালেন্দ্র শাহ সরাসরি আন্দোলনের সংগঠক না হলেও তরুণদের ক্ষোভকে নির্বাচনী প্রচারে তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হন।
তরুণদের মূল দাবি কী ছিল
জেন-জি আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে ছিল দুর্নীতির অবসান, রাজনৈতিক নেতৃত্বের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগ, সংসদ সদস্যদের গণপদত্যাগ এবং বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত বা সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরানোর দাবি ছিল।
আন্দোলনকারীরা সংসদ বিলুপ্ত করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন এবং নতুন সাধারণ নির্বাচন আয়োজনের দাবিও জানিয়েছিলেন।
কতটা পূরণ হয়েছে তরুণদের দাবি
আন্দোলনের বেশ কিছু রাজনৈতিক দাবি পূরণ হয়েছে। ওলি পদত্যাগ করেছেন, তার সরকারের কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সদস্যও পদ ছাড়েন। সংসদ বিলুপ্ত হয়, অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয় এবং চলতি বছরের মার্চে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
পোখারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক যোগ রাজ লামিছানে বলেন, প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সরকার শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন আয়োজন করতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তি সরকারে এসেছে। তার মতে, নির্বাচনের ফল পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি জনগণের অনাস্থার প্রতিফলন।
চলতি বছরের মার্চে নেপাল পুলিশ ওলি এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককে গত বছরের প্রাণঘাতী আন্দোলনে দমন-পীড়নে তাদের কথিত ভূমিকার অভিযোগে গ্রেপ্তারও করেছিল। তবে এপ্রিল মাসে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তারা এখনো তদন্তের আওতায় থাকলেও আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযুক্ত হননি।
তবে রাজনৈতিক নেতাদের দুর্নীতির প্রশ্নটি এখনো তেমনভাবে সমাধান হয়নি বলে পর্যবেক্ষকদের মত।
যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপালাচিয়ান স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক দিনেশ পৌডেল বলেন, গত বছর তরুণরা যে মৌলিক সমস্যা ও উদ্বেগের কথা তুলেছিলেন, সেগুলো এখনো রয়ে গেছে। নতুন সরকার আসার পরও ছোটখাটো ও লোকদেখানো বিষয়ে কিছু জনতুষ্টিমূলক বক্তব্য ছাড়া শাসনব্যবস্থায় বড় কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।
নেতৃত্ব পরিবর্তনে কতটা বদল এসেছে
আন্দোলনের পর তরুণদের একটি অংশ সংসদ ও সরকারে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যরা এখনো বিভিন্ন নাগরিক ও অধিকারকর্মী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তবে সরকারে থাকা তরুণ রাজনীতিক এবং আন্দোলনকারী তরুণদের মধ্যে মতপার্থক্যও বাড়ছে। পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে কতটা সমঝোতা করা উচিত এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে।
নেপাল সেন্টার ফর কনটেম্পোরারি রিসার্চের গবেষণা পরিচালক ও জননীতি বিশ্লেষক বিষ্ণু রাজ উপ্রেতি বলেন, তরুণদের রাজনীতিতে উত্থান আন্দোলনের সবচেয়ে ইতিবাচক দিকগুলোর একটি। অধিকাংশ নতুন সংসদ সদস্য তরুণ, শিক্ষিত এবং পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা রয়েছে তাদের।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন প্রজন্মের সংসদ সদস্যরা এখনো দলীয় কাঠামো ও নেপালের পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছেন। তাদের অভিজ্ঞতাও তুলনামূলক কম।
উপ্রেতির মতে, তরুণ নেতারা এখনো দলীয় কাঠামোর নিয়ন্ত্রণে রয়েছেন। পুরোনো রাজনৈতিক নেতৃত্বের সঙ্গে তাদের অবিশ্বাসও সংস্কার প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলছে। তার মন্তব্য, ‘নেতৃত্ব পরিবর্তন শুরু হয়েছে। এটি ভালো, কিন্তু যথেষ্ট নয়।’
আন্দোলনকারীরা এখন কোথায়
গত মঙ্গলবার গত বছরের আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা সাবেক পার্লামেন্ট ভবনে আনুষ্ঠানিক স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। প্রায় দুই দশক পার্লামেন্ট ভবন হিসেবে ব্যবহৃত ওই ভবনটি গত বছর বিক্ষোভকারীরা ঢুকে আগুন দেওয়ার পর বন্ধ হয়ে যায়।
আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের কেউ এখন সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী। আবার কেউ কেউ এখনো সক্রিয়ভাবে আন্দোলন ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে যুক্ত। ফলে আন্দোলনের ভেতর বিভাজনও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
চলতি বছরের মে মাসে নতুন সরকার সংবিধান সংশোধন নিয়ে মতামত নিতে জেন-জি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত নাগরিক সমাজের নেতা ও তরুণ কর্মীদের আমন্ত্রণ জানায়। তবে আমন্ত্রিত ২৯ জনের মধ্যে ২৫ জনই বৈঠক বর্জন করেন। তাদের অভিযোগ, কাঠামোগত সমস্যাগুলো এবং আগের সরকারের সঙ্গে হওয়া চুক্তিগুলো উপেক্ষা করা হচ্ছে।
আন্দোলনের সময় উপস্থিত থাকা জেন-জি কর্মী আয়ুশ বাস্যাল বলেন, নতুন প্রজন্মের রাজনীতিবীদরা এখন সরকারের অংশ হয়ে আগের সেই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন, যাদের বিরুদ্ধে তারা রাজপথে আন্দোলন করেছিলেন। একই সঙ্গে তারা রাজপথে তোলা মৌলিক পরিবর্তনের দাবিও ধরে রাখার চেষ্টা করছেন। এ কারণে পরিস্থিতি ‘খুব জটিল’ হয়ে উঠেছে।
আহত বিক্ষোভকারীদের অনেকেই চিকিৎসা এবং কিছু আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন। তবে ক্ষতিপূরণের অর্থ কেবল আর্থিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নই প্রকৃত ক্ষতিপূরণ হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাস্যালের দাবি, আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তি এখন সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী হলেও দরিদ্র ও সংখ্যালঘু অনেক বিক্ষোভকারী রয়েছেন, যাদের অর্থ ও রাজনৈতিক প্রভাব নেই। তারা এখনো কারাগারে এবং নিজেদের পক্ষে কথা বলার সুযোগও পাচ্ছেন না।
তার দাবি, সরকারি হিসাবে ৯০০ জনের বেশি এবং অনানুষ্ঠানিক হিসাবে প্রায় ১ হাজার ৬০০ বা তারও বেশি মানুষ অগ্নিসংযোগের অভিযোগে কারাগারে রয়েছেন। এসব আটক ব্যক্তির বিষয়ে সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
কী কী পরিবর্তন এখনো প্রয়োজন
বিশ্লেষকদের মতে, জেন-জি আন্দোলনের লক্ষ্য পূরণে কেবল নেতৃত্ব পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন কাঠামোগত সংস্কার।
অধ্যাপক লামিছানে বলেন, আইন ও নীতিতে পরিবর্তনের মাধ্যমে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও এখনো সেগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
বিষ্ণু রাজ উপ্রেতির মতে, নতুন সরকার এখনো কোনো বড় কাঠামোগত পরিবর্তন শুরু করতে পারেনি। বিদ্যমান আইন পরিবর্তন এবং নতুন আইন ও নীতি প্রণয়নের মধ্য দিয়ে এ পরিবর্তন শুরু করতে হবে।
তার মতে, আমলাতন্ত্রে ব্যাপক সংস্কার জেন-জি আন্দোলনের লক্ষ্য অর্জনের অন্যতম পূর্বশর্ত। কিন্তু সরকার এখনো এ ক্ষেত্রে অর্থবহ কোনো কাজ করেনি।
নেপালের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যের জন্য প্রতিবেশী ভারত ও চীনের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ ও আস্থাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, নেপালের অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থাও বড় ধরনের কাঠামোগত সংস্কারের পথে বাধা হয়ে আছে। অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে প্রাদেশিক ও স্থানীয় সরকারের কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।
অধ্যাপক দিনেশ পৌডেলের মতে, নেপালে কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য শহর ও গ্রামের বিভাজন, শিক্ষিত অভিজাত শ্রেণি ও কৃষক সমাজের মধ্যকার দ্বন্দ্ব এবং অর্থনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিকভাবে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির মতো বিষয়গুলো মোকাবিলা করতে হবে।
তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন হবে এমনটা ভাবা কঠিন। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে নেপালের মানুষের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে মৌলিকভাবে বাস্তবায়নের যে সুযোগ তৈরি হয়েছিল, দেশটি সেই সুযোগ আবারও হারিয়েছে।
ভবিষ্যতে কী
নতুন সরকারের ওপর প্রত্যাশার চাপ অনেক বেশি বলে মনে করছেন আন্দোলনকারীরা। আয়ুশ বাস্যাল বলেন, নেপালের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই একটি ‘প্রত্যাশার ঘাটতি’ রয়েছে। মানুষ সরকারের কাছে অনেক কিছু প্রত্যাশা করে, কিন্তু সরকার তা খুব কমই দিতে পারে। এই ব্যবধান থেকেই আবার হতাশা তৈরি হয়।
তার অভিযোগ, বর্তমান সরকার এখনো স্বচ্ছ নয়। প্রধানমন্ত্রী সংসদে খুব বেশি কথা বলেন না এবং যেসব সময়ে বক্তব্য দিয়েছেন, সেসব অধিবেশনও বিশৃঙ্খল হয়েছে।
তার আশঙ্কা, এসব সমস্যা সমাধান না হলে জনগণের হতাশার ‘দ্বিতীয় ঢেউ’ তৈরি হতে পারে।
তবে অধ্যাপক লামিছানের মতে, নতুন সরকারকে তার কাজের মূল্যায়নের জন্য কিছুটা সময় দেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে ভয়াবহ বন্যায় নেপাল যখন বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়েছে, তখনই সরকারের সমালোচনা করার উপযুক্ত সময় নয় বলে মনে করেন তিনি।
সম্প্রতি তিব্বত সীমান্তবর্তী এলাকায় ভয়াবহ বন্যায় এক হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও হাজারো মানুষ। জাতীয় দুর্যোগের সময় নেপাল বারবার ঐক্যবদ্ধ হয়েছে এমন বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে বাস্যাল আশা প্রকাশ করেন, এবারের এই জাতীয় সংহতি রাজনৈতিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও কাজে আসবে।