

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মিয়ানমারে সামরিক জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় আবারও রক্তাক্ত হলো বেসামরিক জনপদ। একটি বিয়ের আয়োজন এবং একটি দোয়া মাহফিলকে লক্ষ্য করে চালানো পৃথক দুটি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
এসব হামলায় আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সূত্র ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠী এবং মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের তথ্যের ভিত্তিতে এ খবর প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম দ্য ইরাবতী।
স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাচিন রাজ্যের ভামো টাউনশিপের কাউং জার গ্রামে একটি দোয়া মাহফিল চলাকালে বিমান হামলা চালায় জান্তা বাহিনী।
বিদ্রোহী সংগঠন কাচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মি (কেআইএ) জানায়, ওই হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হন এবং শিশুসহ কমপক্ষে ২৮ জন আহত হন। নিহতদের বেশিরভাগই শোকাহত পরিবার ও বাস্তুচ্যুত যুদ্ধাহত মানুষ।
গ্রামটি ইরাবতী নদীর অপর পারে ভামো শহরের কাছাকাছি অবস্থিত এবং সংঘাতের কারণে ঘরছাড়া মানুষের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রামের এক বৃদ্ধের মৃত্যুর পর পরদিন দোয়া মাহফিলের প্রস্তুতির জন্য একটি বাড়ির আঙিনায় লোকজন জড়ো হয়েছিল। ঠিক সেই সময় আকাশ থেকে বোমা হামলা চালানো হয়।
হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বাড়ির ভেতর ও আঙিনায় নারী-পুরুষের মরদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। কয়েকজনের দেহ গুরুতরভাবে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে, যা হামলার ভয়াবহতা স্পষ্ট করে।
কেআইএর মুখপাত্র কর্নেল নও বু দাবি করেছেন, ওই গ্রামে কেআইএর কোনো ঘাঁটি বা সদস্য উপস্থিত ছিল না। তার অভিযোগ, সামরিক বাহিনী জেনেবুঝেই বেসামরিক লোকজনকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
তিনি বলেন, জান্তা বাহিনী শত্রু ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো পার্থক্য রাখে না। স্কুল হোক বা জনসমাগম যেখানেই মানুষ জড়ো হয়, সেখানেই তারা বোমা ফেলছে।
মন্তব্য করুন
