

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভূমধ্যসাগরের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত ছোট্ট দ্বীপ দেশ সাইপ্রাস। এখানে মোট জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখের বেশি। বর্তমানে দেশটিতে মানুষের তুলনায় বিড়ালের সংখ্যা প্রায় সমপরিমাণ। এপির খবরে এমন তথ্য এসেছে।
কিছু লোকের মতে, বাস্তবে বিড়ালের সংখ্যা মানুষের চেয়ে অনেক বেশি।
এই বেড়ে চলা বিড়ালের সংখ্যার কারণে সাইপ্রাসে সরকারিভাবে জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম চালু আছে। তবে এর পরেও বিড়ালদের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই এখন দাবি উঠেছে, বর্তমান প্রকল্প যথেষ্ট নয়, বিড়ালের প্রজননক্ষমতা আরও কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
গত মাসের শেষ দিকে সাইপ্রাসের পার্লামেন্টের পরিবেশ বিষয়ক কমিটি এই বিষয়টি উল্লেখ করেছে। পরিবেশ কমিশনার অ্যান্টোনিয়া থিওদোসিওউ বলেন, এই প্রকল্পটি ভালো, তবে এর পরিধি বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
বর্তমান প্রকল্পে প্রতি বছর মাত্র দুই হাজার বিড়ালকে স্টেরিলাইজ বা প্রজনন অক্ষম করা হয়। এর জন্য বরাদ্দ বাজেট মাত্র এক লাখ ইউরো।
যদিও মানুষের এবং বিড়ালের সংখ্যার সঠিক আনুপাতিক তথ্য নেই, পরিবেশ কমিশনার থিওদোসিওউ জানান, সাইপ্রাস এখন বিশ্বের এমন দেশ হিসেবে পরিচিত যেখানে মানুষের তুলনায় বিড়ালের সংখ্যা বেশি।
এ অবস্থায় বিড়ালের প্রজনন নিয়ন্ত্রণে আরও অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন। তবে শুধুমাত্র বাজেট বৃদ্ধি করলেই সমস্যার সমাধান হবে কি না, তা সন্দেহজনক।
সাইপ্রাসের মানুষরা বিড়ালপ্রেমী। দীর্ঘদিন ধরে তারা বিড়ালের প্রতি স্নেহ দেখিয়ে আসছে। তাই শহরের রাস্তায় বিড়ালের জন্য খাবারের পাত্র এবং ছোট ছোট ঘর দেখতে পাওয়া যায়।
এছাড়া, সাইপ্রাসের অর্থনীতিতে পর্যটন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক এখানে বিড়াল দেখতে আসেন। তাই দেশটিতে বিড়ালের জন্মনিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম কতটা সফল হবে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন আছে।
মন্তব্য করুন
