

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলতি বছরে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন হাঙ্গেরির খ্যাতনামা লেখক লাসজলো ক্রাসনাহোরকাই।
বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সুইডিশ অ্যাকাডেমি তার নাম ঘোষণা করে এই সম্মান জানায়।
অ্যাকাডেমির ভাষ্যে, ক্রাসনাহোরকাইকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তার “গভীর, কল্পনাশক্তিতে ভরপুর ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন লেখনির জন্য,” যা বৈশ্বিক সংকট ও মানবিক ভয়াবহতার মধ্যেও শিল্পের শক্তিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।
সুইডিশ অ্যাকাডেমি আরও জানিয়েছে, ক্রাসনাহোরকাই মধ্য ইউরোপীয় সাহিত্যের এক বিশিষ্ট ধারক, যার লেখায় কাফকা থেকে থমাস বার্নহার্ড পর্যন্ত সাহিত্যিক প্রভাবের ছোঁয়া মেলে।
সাহিত্যের নোবেল বিজয়ীদের নাম সাধারণত ঘোষণা পর্যন্ত গোপন রাখা হয় এবং মনোনয়ন সংক্রান্ত তথ্য ৫০ বছর পর প্রকাশ করা হয়। ফলে, প্রতি বছর বিজয়ীর নাম প্রকাশের আগে কে পুরস্কার পাবেন তা অনুমান করা প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে।
১৯০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১১৭ বার সাহিত্যে নোবেল প্রদান করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১২১ জন সাহিত্যিক এই মর্যাদা অর্জন করেছেন, যাদের মধ্যে ১৮ জন নারী। চারবার একাধিক সাহিত্যিক যৌথভাবে এই পুরস্কার পেয়েছেন।
উল্লেখযোগ্য যে, আলফ্রেড নোবেল ছিলেন এক সুইডিশ উদ্ভাবক ও সমাজসেবক, যিনি ডিনামাইটের আবিষ্কারক হিসেবে পরিচিত।
তার উইল অনুযায়ী ১৮৯৫ সালে নোবেল পুরস্কারের ভিত্তি স্থাপিত হয়, এবং ১৯০১ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সম্মাননা প্রদান শুরু হয়।
প্রথমে পাঁচটি বিভাগে পুরস্কার দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, ১৯৬৮ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক (দ্য ব্যাংক অব সুইডেন) অর্থনীতির জন্য বিশেষভাবে পুরস্কার চালু করে। বর্তমানে অর্থনীতির পুরস্কারও অন্যান্য নোবেল পুরস্কারের মতো সমান মর্যাদাপূর্ণ বলে বিবেচিত হয় এবং অনেকেই একে ‘বিকল্প নোবেল পুরস্কার’ বলে উল্লেখ করেন।
আগামী ১০ ডিসেম্বর, আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে, স্টকহোম ও অসলোতে এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
প্রতিটি পুরস্কারের সাথে থাকছে ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনারের অর্থমূল্য, একটি মানপত্র এবং একটি স্বর্ণপদক।
২০২৩ সালে ক্রোনারের মূল্যস্ফীতির কারণে পুরস্কারের পরিমাণ ১০ মিলিয়ন থেকে বাড়িয়ে ১১ মিলিয়ন ক্রোনার করা হয়।
মন্তব্য করুন
