

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলা পঞ্জিকার আশ্বিন মাসের শেষভাগে এসে দেশের উত্তরপ্রান্তের জেলা পঞ্চগড়, বিশেষ করে হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত তেঁতুলিয়ায় ধীরে ধীরে নামছে তাপমাত্রা।
বাতাসে বইছে শীতল হাওয়া, আর ভোরের আকাশ ঢেকে যাচ্ছে পাতলা কুয়াশার চাদরে—যা জানান দিচ্ছে, শীতের আগমন এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।
গতকাল মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৬টায় তেঁতুলিয়ায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগের কিছুদিন ধরেই এখানে তাপমাত্রা ছিল ২২ থেকে ২৩ ডিগ্রির মধ্যে। একদিনেই তাপমাত্রা প্রায় ৩ ডিগ্রি কমে যাওয়াকে মৌসুমি পরিবর্তনের স্পষ্ট ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সকালের তেঁতুলিয়ায় চিত্রটা ছিল বেশ আলাদা। হালকা কুয়াশায় ঢাকা চারদিক, শীতল বাতাসে জমে থাকা ভোর, আর চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে আড্ডায় মগ্ন মানুষ—এই ছিল দৃশ্যপট। অনেকেই হাঁটতে বের হয়েছেন গায়ে হালকা গরম কাপড় জড়িয়ে। শিশু ও বয়স্কদের জন্য অনেক পরিবার এরই মধ্যে পাতলা কম্বল কিংবা সোয়েটার বের করে ফেলেছে।
জেলার কিছু এলাকায় রাতের শেষ ভাগে হালকা কুয়াশার উপস্থিতিও দেখা গেছে, যা বছরের এ সময়ে একেবারে স্বাভাবিক নয়। স্থানীয়রা বলছেন, যদি এই ধারা চলতে থাকে, তবে দেশের অন্য যে-কোনো অঞ্চল থেকে আগে পঞ্চগড়েই শীতের প্রকোপ দেখা যেতে পারে—যা আগের বছরগুলোতেও দেখা গেছে।
তেঁতুলিয়ায় আবহাওয়া পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানিয়েছেন, গত কয়েকদিন ধরেই আবহাওয়ায় ধীরে ধীরে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ভোরবেলা ঠান্ডা অনুভব করা যাচ্ছে, যা মৌসুম বদলের লক্ষণ।
মঙ্গলবার সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এখন থেকে প্রতিদিন তাপমাত্রা আরও কিছুটা করে কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
তাঁর মতে, উত্তরাঞ্চলের আবহাওয়ায় এই সময়টাতে এমন পরিবর্তন স্বাভাবিক হলেও, চলতি বছরের শীত কিছুটা আগেই শুরু হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
মন্তব্য করুন
