

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ম্যানচেস্টার সিটির মাঝমাঠে রদ্রির পরবর্তী অধ্যায়ের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। সেই পরিকল্পনার কেন্দ্রে থাকছেন মাত্র ১৮ বছর বয়সী মরোক্কান মিডফিল্ডার আইয়ুব বুয়াদ্দি। ফরাসি ক্লাব লিল থেকে তাকে দলে ভেড়াতে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরোর চুক্তিতে পৌঁছেছে সিটি।
দ্য গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, বুয়াদ্দিকে পেতে লিলকে প্রাথমিকভাবে ৯৫ মিলিয়ন ইউরো দেবে ম্যানচেস্টার সিটি। চুক্তিতে থাকা পারফরম্যান্সভিত্তিক শর্ত পূরণ হলে আরও ৫ মিলিয়ন ইউরো যোগ হতে পারে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে দলবদলের মূল্য দাঁড়াতে পারে ১০০ মিলিয়ন ইউরোতে, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।
বুয়াদ্দির সঙ্গে ২০৩১ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত চুক্তি করতে যাচ্ছে সিটি। চুক্তিতে আরও এক মৌসুম মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ তাকে শুধু বর্তমান দলের প্রয়োজন মেটানোর জন্য নয়, আগামী কয়েক বছরের মাঝমাঠের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবেই দেখছে ক্লাবটি।
বুয়াদ্দির ফুটবল-যাত্রার বড় অংশই কেটেছে লিলের একাডেমিতে। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে কনফারেন্স লিগে মাত্র ১৬ বছর ৩ দিন বয়সে সিনিয়র দলের হয়ে অভিষেক হয় তাঁর। সেই ম্যাচেই লিলের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড গড়েন এই মিডফিল্ডার।
অভিষেকের পর ধীরে ধীরে দলের সঙ্গে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন বুয়াদ্দি। বয়সে সতীর্থদের চেয়ে অনেক ছোট হলেও তার পরিণত পারফরম্যান্স নজর কেড়েছে ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর।
সাম্প্রতিক সময়ে বুয়াদ্দির পরিচিতি আরও বেড়েছে মরক্কোর জাতীয় দলের হয়ে পারফরম্যান্সের কারণে। ২০২৬ বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচের পাঁচটিতেই শুরু থেকে খেলেছেন তিনি। কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত মরক্কোর যাত্রায় মাঝমাঠে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য।
ব্রাজিলের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করা ম্যাচেও বুয়াদ্দির পারফরম্যান্স নজর কেড়েছিল। মাত্র ১৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে নিয়মিত খেলার অভিজ্ঞতা তার বাজারমূল্য বাড়ানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
জাতীয় দলের পথচলাও বুয়াদ্দির জন্য ছিল কিছুটা ভিন্ন। বয়সভিত্তিক পর্যায়ে ফ্রান্সের বিভিন্ন দলে খেলেছেন তিনি। তবে সিনিয়র পর্যায়ে মরক্কোর হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন গত মে মাসে।
এরপর খুব দ্রুতই মরক্কোর মাঝমাঠে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন বুয়াদ্দি। বিশ্বকাপে তাঁর পারফরম্যান্সের পর ইউরোপের বড় ক্লাবগুলোর আগ্রহ আরও বেড়ে যায়।


