

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বার্সেলোনার স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেররান তোরেসকে ঘিরে দলবদলের আলোচনা নতুন গতি পেয়েছে। ইউরোপের একাধিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, কাতালান ক্লাব ছেড়ে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজিতে যোগ দেওয়ার পথে রয়েছেন ২৬ বছর বয়সী এই ফুটবলার।
ফরাসি গণমাধ্যম ফুট মের্কাটো জানিয়েছে, ছুটিতে থাকার সময়ই বার্সেলোনা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তোরেস। তাঁর প্রতিনিধিদের সঙ্গে পিএসজির আলোচনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে স্প্যানিশ দৈনিক মার্কার তথ্য অনুযায়ী, তোরেসের সম্ভাব্য দলবদল নিয়ে আগামী সপ্তাহে বার্সেলোনা ও পিএসজির মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হতে পারে। দুই ক্লাবের মধ্যে ইতিবাচক যোগাযোগ চলছে বলেও জানিয়েছে তারা।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, তোরেসকে দলে ভিড়াতে ৫ কোটি ইউরোর বেশি খরচ করতে হতে পারে পিএসজিকে। বিশ্বকাপের আগেই বার্সেলোনা তার মূল্যায়ন এই অঙ্কে নির্ধারণ করেছিল। সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের পর সেই মূল্য ধরে রাখা সম্ভব হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে পিএসজির বর্তমান উইঙ্গার ব্রাডলি বারকোলার ক্লাব ছাড়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে। লিভারপুলসহ ইউরোপের কয়েকটি ক্লাব তার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে। বারকোলা বিদায় নিলে পিএসজির আক্রমণভাগে তোরেসের জন্য জায়গা তৈরি হতে পারে।
গত মৌসুমে কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনার আক্রমণভাগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তোরেস। রবার্ট লেভানডোভস্কির বিকল্প হিসেবে নিয়মিত খেলেছেন এবং লা লিগায় ২৩ ম্যাচে শুরুর একাদশে থেকে ১৬টি গোল করেন। বার্সেলোনার টানা দ্বিতীয় লিগ শিরোপা জয়ের পথেও তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য।
২০২২ সালে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ ইউরো ট্রান্সফার ফিতে তোরেসকে দলে ভিড়িয়েছিল বার্সেলোনা। এর আগে তিনি স্প্যানিশ ক্লাব ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে খেলেছেন। এখন পর্যন্ত কাতালান ক্লাবের জার্সিতে ২০৭ ম্যাচে ৬৫ গোল করার পাশাপাশি ২৩টি অ্যাসিস্টও করেছেন।
এদিকে সবশেষ মৌসুম শেষে বার্সেলোনা ছেড়েছেন দলটির আক্রমণভাগের মূল তারকা রবার্তো লেভানডভস্কি। তার বদলি হিসেবে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ থেকে আর্জেন্টাইন নাম্বার নাইন হুলিয়ান আলভারেজকে দলে ভেড়াতে মরিয়া কাতালান ক্লাবটি। তবে নানা জটিলতায় সেটি এখনও আলোর মুখ দেখেনি। এমন পরিস্থিতিতে ফেরান তোরেসও যদি দল ছেড়ে যান তাহলে আক্রমণভাগ নিয়ে ভুগতে হতে পারে কোচ হ্যান্সি ফ্লিককে।