

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বকাপে পতুর্গালের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে ডিআর কঙ্গো। এ ম্যাচে যিনি সবচেয়ে বেশি আলো কুড়িয়েছেন, তিনি ইয়োনে উইসা। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে তার হেডেই এসেছে বিশ্বকাপে ডিআর কঙ্গোর প্রথম গোল। তবে এই গোল উদযাপনের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক ভয়ংকর সংগ্রাম আর ফিরে আসার গল্প। বর্তমানে ফুটবল বিশ্বের প্রশংসায় ভাসছেন উইসা। কিন্তু খুব বেশি দিন আগেও তার জীবন ছিল অনিশ্চয়তা, ভয় আর শারীরিক-মানসিক ট্রমার মধ্যে বন্দী।
২০২১ সালে ফ্রান্সের ক্লাব লরিয়ঁতে খেলার সময় নিজ বাসভবনে ভয়াবহ অ্যাসিড হামলার শিকার হন তিনি। অভিযোগ অনুযায়ী, এক নারী ভক্ত সেজে তার বাড়িতে প্রবেশ করে তার মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। একই ঘটনায় তার মেয়েকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগও ওঠে।
হামলায় উইসার দুই চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে আদালতে দেওয়া সাক্ষ্যে তিনি জানান, দরজা খোলার মুহূর্তেই তার মুখে তরল পদার্থ ছুড়ে মারা হয়। মুহূর্তেই তিনি তীব্র যন্ত্রণায় চিৎকার শুরু করেন এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল।
হাসপাতালে চিকিৎসকেরা তাকে জানান, তার চোখ মারাত্মকভাবে পুড়ে গেছে। দীর্ঘদিন প্রতি ঘণ্টায় চোখ পরিষ্কার করতে হয়েছে। চিকিৎসকরা আশঙ্কা করেছিলেন, দ্রুত চিকিৎসা না পেলে তিনি দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারতেন।
দুই চোখে অস্ত্রোপচার শেষে তাকে দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তখনই জানানো হয়েছিল, আজীবন তাকে চোখের ড্রপ ব্যবহার করতে হতে পারে।
তবে সেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডিই থামাতে পারেনি তাকে। সুস্থ হয়ে ওঠার পর একই বছর তিনি যোগ দেন ইংলিশ ক্লাব ব্রেন্টফোর্ডে। সেখানে চার মৌসুমে ১৪৯ ম্যাচে ৪৯ গোল করে নিজেকে আবারও প্রমাণ করেন তিনি।
পরে বড় চুক্তিতে যোগ দেন নিউক্যাসল ইউনাইটেডে।
