বুধবার
১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বুধবার
১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রিয় কোচ না থাকলেও মরক্কোর স্কোয়াডে চমক

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬, ০৭:০৩ পিএম আপডেট : ১০ জুন ২০২৬, ০৭:১৭ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

উত্তর আমেরিকার তিন দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় আগামীকাল শুরু হবে ফুটবল বিশ্বকাপ। এবারের বিশ্বকাপে খেলবে ৪৮ দল। যার অন্যতম আকর্ষণ আফ্রিকা থেকে সবার আগে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করা অ্যাটলাস লায়নদের দল মরক্কো।

আফ্রিকান অঞ্চলের বাছাইয়ে ‘ই’ গ্রুপে অপরাজিত ছিল তারা। যা কাতার বিশ্বকাপে তাদের সাফল্যের পুনরাবৃত্তির সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে।

সবার চিরাচরিত ধারণাকে উল্টে দিয়ে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠে যায় তারা। আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে শেষ চারে উঠে এসে গড়ে ইতিহাস। অভিনব ও যুগান্তকারী এ সাফল্যটা ছিল তাদের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনারই ফসল।

তবে যার অধীনে চার বছর আগে ইতিহাস গড়েছিল মরক্কো, সেই কোচ ওয়ালিদ রেগরাগুই এবারের বিশ্বকাপে মরক্কো দলের সঙ্গে নেই। বিশ্বকাপ শুরুর মাস তিনেক আগেই পদত্যাগ করেন মরক্কোর ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম সফল এই কোচ। তার উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন মোহাম্মদ ওয়াহবি।

সেবারের অনেক খেলোয়াড়কেই দেখা যাবে এবারের বিশ্বকাপেও। তবে চার বছর আগের চেয়ে এবার তারা আরও অভিজ্ঞ, আরও পরিণত। দুই বিশ্বকাপের বিরতিতে পৃথিবী খুঁজে প্রতিভাবান মরোক্কান মেধাবী ফুটবলারদেরও খুঁজে বের করেছে তারা।

সম্প্রতি তারা ফ্রান্সে বড় হয়ে ওঠা এবং ফ্রান্সের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে খেলা আইয়ুব বুয়াদ্দিকে মরক্কোর হয়ে বিশ্বকাপ খেলাটা নিশ্চিত করেছে। ফ্রেঞ্চ লিগ ওয়ানে খেলা বুয়াদ্দির আগে ফুলহামের ডিফেন্ডার ইসা দিওপকেও মরক্কোর পতাকাতলে নিয়ে আসা নিশ্চিত করে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।

সব মিলিয়ে মরক্কো বিশ্বকাপে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েই সেরা ফল আনতে চায়। এ ক্ষেত্রে তাদের অনুপ্রেরণা হতে পারে মরক্কো অনূর্ধ্ব-২০ দলের বিশ্বকাপ জয়। গত অক্টোবরে চিলিতে হওয়া ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে হট ফেবারিট আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হন মরোক্কান যুবারা।

সাধারণত ৪-১-৪-১ কিংবা ৪-৩-৩ ফরমেশনে খেলে থাকে মরক্কো। রক্ষণ জমাট রেখে দ্রুতই আক্রমণে উঠে আসার কৌশল দলটির। সুশৃঙ্খল ডিফেন্স মরক্কোর। সেই ডিফেন্স ভেঙে জালের ছোঁয়া পেতে যেকোনো দলকেই হিমশিম খেতে হবে। উইঙ্গার এবং ফরোয়ার্ডদের দ্রুতগতিতে পাল্টা আক্রমণেও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে দলটি। আক্রমণভাগের হাকিম জিয়েশ দলটির অন্যতম বড় তারকা। তার সৃজনশীল পাস ও দূরপাল্লার শট দলকে আক্রমণে এগিয়ে রাখে। মাঝমাঠের সোফিয়ান আমরাবাত ধারে খেলেন ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। দলটির আলোচিত ডিফেন্ডার খেলেন পিএসজিতে। আর গোলবারের নিচে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় থাকবেন ইয়াসিন বোনো।

সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে মরক্কো এখন আর শুধু আন্ডারডগ নয়। কাতারের রূপকথা পেছনে ফেলে তারা এখন নিজেদের প্রতিষ্ঠিত শক্তি হিসেবে প্রমাণ করতে প্রস্তুত।

একনজরে বিশ্বকাপে মরক্কোর ইতিহাস অঞ্চল: আফ্রিকা র‍্যাঙ্কিং: ৮ ডাকনাম: অ্যাটলাস লায়নস অংশগ্রহণ: ৮ বার সর্বোচ্চ সাফল্য: সেমিফাইনাল (২০২২)

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন