

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফিফা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ১০ জনে পরিণত হওয়া ফ্রান্সের বিপক্ষে হেরেছে ব্রাজিল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বোস্টনে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে ২-১ জয় তুলে নিয়েছে এমবাপ্পেরা।
এদিন প্রথমার্ধে তুলনামূলক নিয়ন্ত্রিত ফুটবল খেললেও দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ফ্রান্স। তবে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি সেলেসাওরা। উল্টো দ্বিতীয়ার্ধে গোল হজম করে হারতে হয়েছে ভিনিসিয়ুসদের। ম্যাচে প্রথম গোলের সুযোগ তৈরি করেছে অবশ্য ব্রাজিলই। ৫ম মিনিটে ভালো সুযোগ পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট হন রাফিনহা। তিন মিনিট পর ফরাসি তরুণ ফরোয়ার্ড হুগো একিটিকের হেডও লক্ষ্য খুঁজে পায়নি। এরপর ধীরে ধীরে বলের দখল ও আক্রমণে প্রাধান্য নিতে শুরু করে ফ্রান্স।
২৭তম মিনিটে আরও একবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ আসে ব্রাজিলের। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক বাঁকানো শট নিলেও তা অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়।
এরই পাঁচ মিনিট পর ম্যাচে এগিয়ে যায় ফ্রান্স। মাঝমাঠে বল কাড়েন অ্যারিয়েল চুয়ামেনি, সেখান থেকে বল যায় উসমান দেম্বেলের কাছে। তার নিখুঁত পাস ধরে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চিপ শটে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। আন্তর্জাতিক ফুটবলে এটি তার ৫৬তম গোল।
প্রথমার্ধে বল দখলে পিছিয়ে থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে ব্রাজিল। পরপর কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি তারা। এই আক্রমণের মাঝেই ৫৫তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় ফ্রান্স। ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার ওয়েজলির ওপর কঠিন ফাউলের জন্য প্রথমে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও ভিএআর দেখে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয় ডায়ট উপামেকানোকে। ফলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় ফ্রান্স।
তবে এই সংখ্যাগত পার্থক্যকে এগিয়ে থাকার সুবিধা নিতে পারেনি ব্রাজিল। উল্টো ৬৫তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ফ্রান্স। মাইকেল ওলিসের চমৎকার থ্রু পাস ধরে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করেন একিটিকে, যা ছিল জাতীয় দলের হয়ে তার দ্বিতীয় গোল।
৭৮তম মিনিটে ব্যবধান কমায় ব্রাজিল। ফ্রি-কিক থেকে তৈরি আক্রমণে ক্যাসিমিরোর বল কাটব্যাক করলে শট নেন লুইস এইহিক, আর মাঝপথে দিক পরিবর্তন করে বল জালে পাঠান ব্রেমার। ব্রাজিলের জার্সিতে এটি ছিল তার প্রথম গোল।
শেষদিকে একের পর এক আক্রমণে ফ্রান্সকে চাপে রাখে ব্রাজিল, কিন্তু সমতায় ফিরতে পারেনি। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ব্রেহমের শটে সামান্য স্পর্শ দিতে পারলে হয়তো গোল পেয়ে যেতেন থিয়াগো বা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কিন্তু তা হয়নি। ফলে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ফ্রান্স।
মন্তব্য করুন
