শুক্রবার
২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২৭ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী তারেক সাহেবের জামিনে সরাসরি ভূমিকা রেখেছি: আদালতে মামুন খালেদ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

১/১১–পরবর্তী সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জামিন হওয়ার বিষয়ে সরাসরি ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দাবি করেছেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা শেখ মামুন খালেদ। মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলার রিমান্ড শুনানিতে দেয়া স্বীকারোক্তিতে এ কথা বলেন।

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আসমিকে ছাড়া হতো না বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন সংস্থাটির সাবেক মহাপরিচালক। তার এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অভিযোগের সত্যতা উঠে এসেছে বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ড শুনানি হয়। শুনানি শেষে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে মামুন খালেদ বলেন, ‘আমি ২০০৭ সালে ডিজিএফআই-এর জেএসএস (সিগনাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো) ফোর্সেসে যোগদান করি। যেখানে কমিউনিকেশন সংক্রান্ত দায়িত্বে ছিলাম। দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন মামলায় বেইল সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করেছি। সেসময় বিচারকদের সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে যোগাযোগ করে ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমাদের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর হতো না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর (তারেক রহমান) মামলায়ও বেইল (জামিন) সংক্রান্ত কাজ করেছি।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন রিমান্ড আবেদনে বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দেলোয়ার হোসেন (৪০) নিহত হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার সাবেক ডিজিএফআইপ্রধান শেখ মামুন খালেদের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। মামলার তদন্ত, অন্য আসামিদের শনাক্তকরণ এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।’

এর আগে বুধবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএস-এর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর এজাহারভুক্ত আসামিসহ ৫০০-৭০০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা চালায়। তারা বিভিন্ন দিক থেকে গুলি ছোড়ে। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হন। প্রথমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই সকালে তার মৃত্যু হয়। পরে এ ঘটনায় নিহত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছা. লিজা ২০২৫ সালের ৬ জুলাই মিরপুর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন