

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আর্সেনালকে ২-০ গোলে পরাজিত করে কারাবাও কাপ জিতে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। এর মধ্য দিয়ে মৌসুমের প্রথম শিরোপা নিজেদের দখলে নিল পেপ গার্দিওলার দল। ফাইনালে জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক হয়েছেন তরুণ মিডফিল্ডার নিকো ও’রাইলি।
লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে প্রায় ৯০ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে জমজমাট এই ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথম বড় অবদান রাখেন সিটির গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ড।
ম্যাচের সপ্তম মিনিটে তিনি পরপর কয়েকটি শট ঠেকিয়ে নিশ্চিত গোল থেকে দলকে রক্ষা করেন। কাই হাভার্টজ ও বুকায়ো সাকার প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে আর্সেনালের হতাশা বাড়িয়ে দেন তিনি।
প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতা থাকলেও বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় সিটি। ৬০তম মিনিটে রায়ান চেরকির নেওয়া শট আর্সেনাল গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা ঠিকভাবে সামলাতে পারেননি।
তার হাত ফসকে বল সামনে চলে এলে সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ফাঁকা পোস্টে হেডে জাল খুঁজে নেন নিকো ও’রাইলি।
এর মাত্র চার মিনিট পর আবারও আঘাত হানে সিটি। এবার ডান প্রান্ত থেকে ম্যাথিয়াস নুনেস দারুণ এক ক্রস বাড়ান। বক্সে প্রায় অরক্ষিত অবস্থায় থাকা ও’রাইলি হেডে বল জালে পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের হয়ে ম্যাচের শেষ গোলটি করেন।
দ্বিতীয় গোলের পর সিটির ডাগআউটে আনন্দের বিস্ফোরণ দেখা যায়। কোচ পেপ গার্দিওলাকে উচ্ছ্বাসে সাইডলাইন ধরে দৌড়াতে দেখা যায়। ২০২১ সালের পর আবারও কারাবাও কাপ জিতল তার দল।
একই সঙ্গে এই প্রতিযোগিতায় গার্দিওলার এটি পঞ্চম শিরোপা, যা তার সাফল্যের মুকুটে নতুন পালক যোগ করল।
অবশ্য আর্সেনালও পুরো ম্যাচে লড়াই করেছে। সুযোগ তৈরিতে তারা একেবারেই পিছিয়ে ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে রিকার্ডো কালাফিওরির জোরালো ভলি পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
পরে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের একটি হেডও ক্রসবারে আঘাত হানে। কিন্তু দুর্ভাগ্য আর ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোলের দেখা পায়নি মিকেল আর্তেতার শিষ্যরা।
এই জয়ের ফলে শুধু শিরোপাই নয়, আত্মবিশ্বাসের দিক থেকেও বড় সুবিধা পেল ম্যানচেস্টার সিটি। সামনে প্রিমিয়ার লিগে আবারও মুখোমুখি হবে দুই দল। ফলে এই ফাইনালের ফলাফল পরবর্তী লড়াইয়েও মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে।
মন্তব্য করুন
