

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বার্সেলোনা ফাউন্ডেশন ও কাতালান দৈনিক দিয়ারিও স্পোর্তের দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে একটি ফটোশ্যুটে অংশ নিয়েছিলেন তৎকালীন বার্সা তারকা লিওনেল মেসি। তখনকার সময়ে প্রতিবছর বার্সার ফুটবলারদের সঙ্গে শিশুদের ছবি তুলে সেই ক্যালেন্ডার বিক্রি করা হতো। আয় যেত ইউনিসেফসহ বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানে। বার্সেলোনার স্কোয়াডের ১২ জন ফুটবলারকে বছরের ১২টি মাসের প্রতীক করে জুড়ে দেওয়া হতো একেকটি শিশুর সঙ্গে। বার্সার অনেক খেলোয়াড়ই অংশ নিয়েছেন এমন ফটোশ্যুটে। সেসব ছবির বেশিরভাগই এখন কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে। তবে একটি ছবি ইতিহাস হয়ে থাকল।
ছবিটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসির সঙ্গে উদীয়মান প্রতিভা লামিন ইয়ামালের। পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালকে বাথটাবে গোসল করিয়ে দিচ্ছেন মেসি, দাতব্য ওই ক্যালেন্ডারের জন্য এমন একটি মুহূর্ত ধারণ করা হয় আজ থেকে ১৯ বছর আগে। তখন সেই ছবিটি তেমন সাড়া না ফেলতে পারলেও এখন সেই ছবিই পুরো বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয়।
বেশ কয়েকদিন আগে এই ছবি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেছিলেন লামিন। স্প্যানিশ এই তারকা বলেন, 'আমি অনেক বড় হয়ে গেছি এবং লিও-ও। আমি আশা করি ফাইনালে মেসির মুখোমুখি হতে পারব, যেহেতু আমরা ফিনালিসিমায় খেলতে পারিনি।’
লামিনের পর এবার এই ছবি নিয়ে প্রশ্নের মুখোমুখি হলেন লিওনেল মেসিও। ফাইনালের আগে শুক্রবার (১৭ জুলাই) ফিফার একটি ইভেন্টে অংশ নেন মেসি। দুদলের কোচ এবং অধিনায়ককে নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে মেসি ছিলেন আর্জেন্টাইন দলপতি হিসেবে। সেখানে উঠে আসে লামিনের সঙ্গে তার ২০০৭ সালে তোলা সেই ছবির প্রসঙ্গ। ছবিটি নিয়ে মেসি বলেন, ‘সত্যি কথা হলো ছবিটা অদ্ভুত। কারণ এটাই জীবন। যখন আমি ছোট ছিলাম তখন ছবিটা তুলেছিলাম। এখন বিশ্বকাপ ফাইনালে তার মুখোমুখি হচ্ছি। এটা অবিশ্বাস্য। কিন্তু সে এখন বিশ্বের অন্যতম সেরা। সে ইতোমধ্যে স্পেনের হয়ে ইউরো জিতেছে। বর্তমানে দারুণ করছে, আগামীর ভবিষ্যৎও তার জন্য দারুণ। তবে এই ম্যাচে আমরা ভালো একটি ম্যাচ খেলার চেষ্টা করব, যাতে সে তার সেরা খেলাটা খেলতে না পারে।’ মেসির সেরা সময় কেটেছে বার্সেলোনায়। আর্জেন্টিনা ছেড়ে কৈশোরে বার্সেলোনাতেই মূলত বেড়ে উঠেন তিনি। তাই ইয়ামালের প্রতি তার একটু আলাদা স্নেহ। তিনি বলেন, ‘বার্সেলোনায় অনেক সময় কেটেছে। তার সঙ্গেও সেখান থেকে পরিচয়।’ ২০০৭ সালের ইয়ামাল-মেসির ছবি এখন আলোচনায়। দুই দশক পর এখন দুই জন একে অন্যের সাথে বিশ্বকাপের ফাইনালের জন্য লড়ছে। যা মেসি ‘অনেকটা ভাগ্যের অবিশ্বাস্য গল্প’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
