

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২২ সালে কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়েছিল আর্জেন্টিনা। এবার তাদের সামনে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপা জয়ের সুযোগ। তবে লিওনেল মেসির উপস্থিতি সত্ত্বেও ফাইনালে ফেবারিট হিসেবে ধরা হচ্ছে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে।
রোববার নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল। আল-জাজিরার এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভারসাম্যপূর্ণ দল, শক্তিশালী মাঝমাঠ এবং গভীর স্কোয়াডের কারণে স্পেন এই ম্যাচে কিছুটা এগিয়ে।
সেমিফাইনালে তারকাসমৃদ্ধ ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। টুর্নামেন্টের শুরুতে প্রত্যাশিত ছন্দে না থাকলেও শেষ চারে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে নিজেদের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে তারা।
স্পেনের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের দলগত ফুটবল। কোচ দে লা ফুয়েন্তে শুরু থেকেই একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। মাঝমাঠে রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ ও দানি ওলমো খেলার নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। আক্রমণে মিকেল ওইয়ারসাবাল, লামিন ইয়ামাল ও আলেক্স বায়েনা প্রতিপক্ষের রক্ষণে নিয়মিত চাপ সৃষ্টি করছেন। এছাড়া বেঞ্চেও রয়েছে নিকো উইলিয়ামসের মতো ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার সক্ষম খেলোয়াড়।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনা ফাইনালে নামবে লিওনেল মেসিকে ঘিরেই। ৩৯ বছর বয়সেও তিনি দলের সবচেয়ে বড় ভরসা। সেমিফাইনালে তার অভিজ্ঞতা ও সৃজনশীলতা দলের জয় নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ফাইনালেও তার কাছ থেকেই বিশেষ কিছু প্রত্যাশা করছেন সমর্থকরা।
বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল নিয়ে মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করবে স্পেন। অন্যদিকে আর্জেন্টিনা সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলতে চাইবে। তাই কৌশলগত লড়াইয়ের পাশাপাশি মেসির ব্যক্তিগত নৈপুণ্যও ম্যাচের ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
সব মিলিয়ে কাগজে-কলমে স্পেনকে এগিয়ে রাখা হলেও, মেসির মতো একজন ম্যাচজয়ী ফুটবলার থাকায় আর্জেন্টিনাকে কখনোই হিসাবের বাইরে রাখার সুযোগ নেই। তাই বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ে জমজমাট এক ফাইনালের অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা।
