

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল শুধু মর্যাদার সোনালি ট্রফিই নয়, পাবে ইতিহাসের সর্বোচ্চ আর্থিক পুরস্কারও। এবারের আসরের জন্য রেকর্ড ৮৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রাইজমানি ঘোষণা করেছে ফিফা। এর মধ্যে শিরোপাজয়ী দলের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তবে চ্যাম্পিয়ন দলের আয় শুধু এই অর্থেই সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতিটি দল অংশগ্রহণ ফি ও প্রস্তুতি অনুদানও পেয়ে থাকে। ফলে বিশ্বকাপজয়ী দলের মোট প্রাপ্তি দাঁড়াবে ৬২ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এর মধ্যে রয়েছে অংশগ্রহণ বাবদ ১০ মিলিয়ন ডলার, প্রস্তুতি অনুদান হিসেবে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার এবং চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা।
রানার্সআপ দল পাবে ৩৩ মিলিয়ন ডলার। অংশগ্রহণ ফি ও প্রস্তুতি অনুদান যোগ করলে তাদের মোট প্রাইজমানি হবে ৪৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার।
পারফরম্যান্সভিত্তিক প্রাইজমানি
চ্যাম্পিয়ন: ৫০ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৬০০ কোটি টাকা)
রানার্সআপ: ৩৩ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৯৬ কোটি টাকা)
তৃতীয় স্থান: ২৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৪৮ কোটি টাকা)
চতুর্থ স্থান: ২৭ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩২৪ কোটি টাকা)
৫ম-৮ম স্থান: ১৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ২২৮ কোটি টাকা)
৯ম-১৬তম স্থান: ১৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৮০ কোটি টাকা)
১৭তম-৩২তম স্থান: ১১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১৩২ কোটি টাকা)
৩৩তম-৪৮তম স্থান: ৯ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ১০৮ কোটি টাকা)
ফিফার ইতিহাসে এবারই সর্বোচ্চ অর্থ পুরস্কার হিসেবে বিতরণ করা হচ্ছে। ৪৮ দলের সম্প্রসারিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে প্রাইজমানির পরিমাণও। বিশ্ব ফুটবলের আর্থিক ইতিহাসে এটিকে নতুন এক মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
