

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ম্যাচজুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণ, আক্রমণ আর সুযোগ তৈরিতে এগিয়ে ছিল তুরস্ক। কিন্তু ফুটবলে শেষ কথা বলে গোল। সেই জায়গাতেই পিছিয়ে পড়ল ইউরোপের দলটি। অন্যদিকে সীমিত সুযোগ কাজে লাগিয়ে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তুরস্ককে ২-০ গোলে পরাজিত করেছে সকারুসরা। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একটি করে গোল করেন নেস্টোরি ইরানকুন্ডা ও কনর মেটকাল্ফ।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে তুরস্ক। বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে একের পর এক আক্রমণ সাজায় তারা।
পরিসংখ্যানেও তাদের শ্রেষ্ঠত্ব স্পষ্ট ছিল। পুরো ম্যাচে প্রায় ৭২ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি প্রতিপক্ষের গোলমুখে ৩০টি শট নেয় তুর্কিরা।
তবে আক্রমণের ধার থাকলেও শেষ পর্যন্ত গোলের দেখা পায়নি দলটি। অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক দৃঢ়তা দেখিয়ে প্রতিপক্ষের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন।
খেলার ২৭তম মিনিটে দ্রুতগতির পাল্টা আক্রমণ থেকে অস্ট্রেলিয়াকে এগিয়ে দেন ইরানকুন্ডা। গোল হজমের পর আরও মরিয়া হয়ে ওঠে তুরস্ক। কিন্তু আক্রমণের পর আক্রমণ করেও সমতায় ফিরতে পারেনি তারা।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল তুরস্কের হাতেই। তবে ৭৫তম মিনিটে রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মেটকাল্ফ। মাঝমাঠের কাছাকাছি বল পেয়ে দূরপাল্লার শটে জাল খুঁজে নেন তিনি।
দুই গোলের লিড পাওয়ার পর ম্যাচের বাকি সময়টা রক্ষণ সামলে খেলেছে অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে সকারুসরা।
এই জয়ে গ্রুপ ‘ডি’-তে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া। দলের আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে অনেকটাই। আগামী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ সহ-আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে আধিপত্য দেখিয়েও পয়েন্ট হারানোর হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তুরস্ককে।
