

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টি-টোয়েন্টি সিরিজে দারুণভাবে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলেও, ওয়ানডেতে এসে সেই আত্মবিশ্বাস আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে।
ফরম্যাট বদলেই যেন মুখ থুবড়ে পড়েছে টাইগারদের পারফরম্যান্স। প্রথম ম্যাচে হতাশাজনক ব্যাটিংয়ের পর দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও একইভাবে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ, ফলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান।
সিরিজে টিকে থাকতে এই ম্যাচে জয় ছাড়া বিকল্প ছিল না বাংলাদেশের সামনে। ১৯১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধুকেছে ব্যাটাররা।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকলে, শেষ পর্যন্ত ২৮.৩ ওভারে মাত্র ১০৯ রানে গুটিয়ে যায় ইনিংস। আফগানিস্তান তুলে নেয় সহজ এক জয়—৮১ রানের ব্যবধানে।
টাইগারদের ইনিংসের শুরুতেই ধাক্কা আসে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম শূন্য রানে আউট হয়ে ফিরলে। এরপর শান্ত ও সাইফ হাসান চেষ্টা করেছিলেন একটু স্থিতিশীলতা আনার, কিন্তু শান্ত রান আউট হয়ে ফেরেন মাত্র ৭ রানে।
সাইফ করেন ২২ রান, এরপর হ্রদয় ২৪ রানে ফিরে গেলে ৫০ রানের মধ্যেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।
এরপর মিডল অর্ডার ও লোয়ার অর্ডার থেকেও কেউ দাঁড়াতে না পারায় স্কোর দাঁড়ায় মাত্র ১০৯ রানে। আফগানদের স্পিন আক্রমণে বাংলাদেশের ব্যাটাররা যেন অসহায় হয়ে পড়েন—রশিদ খান একাই তুলে নেন ৫ উইকেট।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানও খুব বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি। ৪৪.৫ ওভারে তারা অলআউট হয় ১৯০ রানে। শুরুতে দারুণ বল করেছেন বাংলাদেশের পেসার তানজিম হাসান সাকিব।
মাঝের ওভারে মেহেদী মিরাজ ও রিশাদ হোসেনের স্পিন জুটিও আফগান ব্যাটারদের চাপে রাখে। তবে ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান একপ্রান্তে লড়ে ৯৫ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া নবী ও গজনফর করেন সমান ২২ রান করে।
বাংলাদেশের পক্ষে মেহেদী মিরাজ নেন ৩ উইকেট। তবে ম্যাচের সেরা পারফরম্যান্স আসে রশিদ খানের হাত থেকে—তিনি ৩৪ রানে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচ এবং সিরিজ জয় নিশ্চিত করেন আফগানিস্তানের পক্ষে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
আফগানিস্তান: ১৯০ অলআউট (৪৪.৫ ওভারে) জাদরান ৯৫, নবী ২২, গজনফর ২২ মিরাজ ৩/৪২, রশিদ খান ৫/৩৪
বাংলাদেশ: ১০৯ অলআউট (২৮.৩ ওভারে) মিরাজ ৪৭, সাইফ ২২, হ্রদয় ২৪ রশিদ খান ৫/৩৪, আজমতউল্লাহ ৩/৩৫
মন্তব্য করুন