

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা ছিল সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের। তবে শেষ মুহূর্তে তিনি এবং ঢাকার ক্লাব পর্যায়ের একাধিক সংগঠক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান।
সোমবার অনুষ্ঠিত সেই নির্বাচনে পরিচালক নির্বাচিত হওয়ার পর আমিনুল ইসলাম বুলবুল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বোর্ড সভাপতি নির্বাচিত হন।
ঢাকা অঞ্চলের অধিকাংশ ক্লাব প্রতিনিধি এবার ভোটদান থেকে বিরত থাকেন। নির্বাচনের পর বুধবার তারা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন, যেখানে উপস্থিত ছিলেন তামিম ইকবালও। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের নামে প্রতিযোগিতা হয়নি, বরং আগেই ফল নির্ধারিত ছিল।
তামিমের বলেন, আমি যদি একক প্রার্থী হিসেবেও দাঁড়াতাম, আমার জেতা নিশ্চিত ছিল। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ ছিল না। আমি জানি আমার পাশে কে আছে, আমার বিপক্ষে কে। ১৫টা ক্লাব থাকুক বা না থাকুক, আমি সহজেই জয়ী হতাম। কিন্তু আমি এমন একটা নির্বাচনে অংশ নিতে চাইনি, যেখানে প্রকৃত অর্থে ভোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই।
তামিম আরও বলেন, আমার কাছে আসল বিষয় ছিল একটি সুষ্ঠু ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন। শুধু জেতার জন্য নয়, এমন প্রক্রিয়া চাইনি যেখানে আগেই সিদ্ধান্ত নেওয়া থাকে কারা আসবেন আর কারা নয়।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ক্লাব সংগঠকদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা সবাই মিলে যে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলাম, সেটার পেছনে কারণ ছিল। কেউ যেন এখন নিজেদের অবস্থান না বদলান। আমরা সমঝোতায় রাজি ছিলাম না, তাই সরে দাঁড়িয়েছি। এই অবস্থান যেন ভবিষ্যতেও একইভাবে থাকে।
আজ আপনারা যে বক্তব্য দিচ্ছেন, সেটাই ধরে রাখবেন। আগামী দিনে যদি কেউ মত পাল্টে আবার আমাদের সঙ্গে বসেন, তাহলে এই ঐক্যের কোনো মানে থাকবে না।”
বিসিবি নির্বাচন ঘিরে এবার ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা যায়। ঢাকার ক্লাবগুলো অভিযোগ করে, প্রকৃত নির্বাচনের সুযোগ না দিয়ে অনেক কিছু আগেই ‘নির্ধারিত’ করা হয়েছে। এ অবস্থায় অনেক প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ান।
অন্যদিকে, বোর্ডের দায়িত্বশীলরা দাবি করেছেন— নির্বাচন সুষ্ঠুভাবেই অনুষ্ঠিত হয়েছে, এবং সবাই চাইলে অংশ নিতে পারতেন।
মন্তব্য করুন
