

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক দেখা দিয়েছে। জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং সরকারের হস্তক্ষেপ ও নির্বাচনের ফিক্সিংয়ের অভিযোগ করেছেন।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বললেন, ফিক্সিং সংক্রান্ত প্রচেষ্টা তামিমই করেছেন, কিন্তু এতে ব্যর্থ হয়েছেন।
যমুনা টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “ফিক্সিংটা তামিম ভাই করার চেষ্টা করেছেন, করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বিএনপির নেতা ও সেক্রেটারি তাদের পক্ষ থেকে কল দিয়ে কাউন্সিলর এবং ডিসিদেরও ধমক দিয়েছেন। অনেক কিছু করা হয়েছে, কিন্তু নির্বাচন ফিক্স করতে তারা সফল হননি।”
সজীব আরও জানিয়েছেন, “আমাদের কাছে কিছু কল রেকর্ড আছে, যেখানে বলা হয়েছে, যদি নির্বাচন করেন, ৬ মাস পরে পরিণতি দেখা হবে। এর অর্থ জাতীয় নির্বাচনের পর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভোরে কয়েকজনের সঙ্গে কথাও হয়েছে, যেমন বুলবুল ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল কোন কমিটিতে কে ফিট হবে তা নিয়েই।”
তিনি বলেন, “পাপন ভাইয়ের সময় ক্রীড়া সংস্থায় আসতেন আওয়ামী লীগের নেতারা বা নেতাদের ছেলে-মেয়ে, যাদের আসলে সংস্থার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক নেই। আমরা এখন ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে যুক্ত প্রকৃত ব্যক্তিদের নিয়ে কাজ করছি। রাজ্জাক রাজ ভাইয়ের সঙ্গে এক বছর আগে দেখা হয়েছিল, যখন তিনি বিসিবিতে কাজ করছিলেন।”
নির্বাচনের জন্য ১৫ ক্লাবকে নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ সম্পর্কে সজীব বলেছেন, “ভোট কারচুপির কারণে ক্লাবগুলোতে যদি অনিয়ম হয় বা বাকিদের সুযোগ সীমিত করা হয়, তাহলে যে কেউ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। ফারুক আহমেদ রায় পেয়েছেন, তবে চূড়ান্ত নয়। আদালতের রায়ের ভিত্তিতে ক্লাবগুলো বাতিল করা হয়েছে, এখানে বোর্ড বা আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণে নেই।”
তিনি আরও বলেন, “বিভাজনের সূত্রপাত ঠিক এখানেই। তিনটি গ্রুপের মধ্যে কমন গ্রাউন্ডে সমাধান হয়নি। কমিটমেন্ট ঠিকভাবে রাখা হয়নি, তাই বিষয়টি কার্যকর হয়নি।”
শেষে আসিফ মাহমুদ সজীব মন্তব্য করেন, “যে কাউকে চ্যালেঞ্জ করা যায়। আমি হেড-টু-হেডে বসতে রাজি আছি এবং সমস্ত কাগজপত্র উপস্থাপন করতে প্রস্তুত।”
মন্তব্য করুন